শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক সংশোধনের প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা দলীয় প্রভাব নেওয়া হবে না। মঙ্গলবার
বিস্তারিত
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, একটি মামলার কারণে সারা দেশে প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য পড়ে রয়েছে। এর ফলে
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষা ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। রবিবার সকাল থেকেই তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন। অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৫ হাজার ৫০২ জন প্রধান শিক্ষকের বেতনস্কেল ১১তম গ্রেড থেকে উন্নীত করে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সোমবার (১০ নভেম্বর) অর্থ বিভাগের
দশম গ্রেড এবং শতভাগ পদোন্নতি না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শপথ নিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। রবিবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে শিক্ষকেরা কাফনের