জার্মানবাংলা২৪ ডেস্ক: সোমবার (৮ অক্টোবর) দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ’ (আইপিসিসি)-এর এক প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীরা সতর্কতা করে বলছেন, আর মাত্র ১২ বছর পরেই মহাসংকটে পড়বে পৃথিবী। এই মহাসংকট থেকে বাঁচতে ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে পৃথিবীর সকল প্রাণির জন্য বয়ে আনবে ভয়াবহ বিপর্যয়।
এই অবস্থা থেকে পৃথিবীর প্রণিকুলকে রক্ষা করতে বিজ্ঞানীরা মোটামুটি কিছু উপায় বলে দিয়েছেন। সেগুলো হলো-
১. ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের মাত্রা ৪৫ শতাংশ কমাতে হবে।
২. ২০৫০ সালের মধ্যে ৮৫ শতাংশ বিদ্যুত উৎপাদনের জন্য নবায়নযোগ্য উৎস ব্যবহার করতে হবে।
৩. কয়লার ব্যবহার শূণ্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনতে হবে।
৪. ৭০ লাখ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে জ্বালানি উৎপাদনে সক্ষম এমন ফসল (এনার্জি ক্রপ) চাষ করতে হবে।
৫. ২০৫০ সালে মধ্যে কার্বন নির্গমন শূণ্যের কোঠায় আনতে হবে।
এ ছাড়াও আমাদের নিজস্বভাবে কিছু করা প্রয়োজন। যেমন-
১. মাংস, দুধ, পনির, মাখন গ্রহণ কমিয়ে দিতে হবে।
২. বিদ্যুতচালিত গাড়ি ব্যবহার করতে হবে।
৩. কম দুরত্বে হেঁটে বা সাইকেলে যেতে হবে।
৪. বিমানের বদলে যাতায়াতে ট্রেন বা বাস ব্যবহার করতে হবে।
৫. ব্যবসায়িক বৈঠকগুলো ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেই সেরে ফেলতে হবে।
৬.ওয়াশিং মেশিনের ব্যবহার কমাতে হবে।
৭. এসি ব্যবহারের বদলে বাসার তাপমাত্রা কমাতে অন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।
বিজ্ঞানীরা আশাবাদী, এগুলোর বাস্তবায়ন করলে অন্তত ২০৫০ সালের মধ্যে ফের জলবায়ুর ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব। না হলে ২১০০ সালের মধ্যে বিশ্বের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।