শিরোনাম :
পাহাড়ে কফি-কাজুবাদাম চাষ ও আধুনিক শিক্ষায় সরকারের গুরুত্ব লন্ডন সামিটে বাংলাদেশের অফশোর জ্বালানি সম্ভাবনা তুলে ধরলেন প্রতিনিধিরা সামাজিক নিরাপত্তার সুবিধাভোগী বাছাইয়ে রাজনৈতিক বিবেচনা নয়: সংসদীয় কমিটি শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার ‘চান্স নেই’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পে ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: তারিক সিদ্দিককে দুদকের তলব দুর্গাপূজায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর টানা পাঁচ দিনের ছুটি সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১৩ হাজারের বেশি বিদেশি আটক রাখাইনে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় নিহত ৩৩ চীনের নতুন ধরনের ব্যাটারি শিল্পের উন্নয়নে সাত বিভাগের যৌথ পরিকল্পনা

তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পে ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: তারিক সিদ্দিককে দুদকের তলব

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল সম্প্রসারণ প্রকল্প থেকে ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আগামী ৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে তাকে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান শুভ্র তার ঠিকানায় এ-সংক্রান্ত নোটিশ পাঠান বলে সংস্থাটির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

দুদক সূত্র জানায়, তারিক সিদ্দিককে তাঁর ঠিকানায় পাওয়া যায়নি। এমনকি তাঁর অধীনস্থ কাউকেও সেখানে পাওয়া যায়নি। পরে একজন নিরাপত্তাকর্মীর উপস্থিতিতে মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে ওই ঠিকানায় নোটিশটি লটকিয়ে জারি করা হয়।

দুদক আইন, ২০০৪-এর ১৯ ধারা এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬০ ধারার আওতায় মামলার অভিযোগের বিষয়ে তারিক সিদ্দিকের বক্তব্য ‘শ্রবণ ও গ্রহণের’ জন্য নোটিশটি দেওয়া হয়েছে।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এর ৮৩ নম্বর মামলায় বক্তব্য নেওয়ার জন্য তাকে তলব করা হয়েছে। মামলাটি ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি দায়ের করা হয়।

নোটিশে মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলা হয়েছে, তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ অন্য আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল সম্প্রসারণ প্রকল্প থেকে ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দুদকের ভাষ্য, মামলাটির সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এ অভিযোগের বিষয়ে তারিক সিদ্দিকের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন।

মামলাটির তদন্ত শেষে সাক্ষ্য-স্মারক দাখিলের জন্য সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান শুভ্রকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি দেশের তিন বিমানবন্দরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে মোট ৮১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তারিক সিদ্দিকসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি মামলা করা হয়। এর মধ্যে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্প-সংক্রান্ত মামলাটি একটি। এ মামলায় মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব মুহিবুল হক, সাবেক যুগ্ম সচিব জনেন্দ্রনাথ সরকার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মালেক এবং সুপারিনটেনডেন্ট হাবিবুর রহমান।

এ ছাড়া অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনালের মালিক লুৎফুল্লাহ মাজেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব আনাম, প্রকল্প পরিচালক এ কে এম মাকসুদুল ইসলাম এবং সাবেক প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামীকে মামলায় আসামি করা হয়।

এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল এভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়াম বা এডিসিকে। পরে অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনালকে বেআইনিভাবে সাব-কন্ট্রাক্টর হিসেবে প্রকল্পে যুক্ত করা হয় বলে দুদকের অভিযোগ।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ১৩ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছিল। দুদকের অভিযোগ, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশের মাধ্যমে প্রকল্প থেকে ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন।

সূত্র: দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD