শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে স্ক্যাফোল্ডারের চাহিদা, দক্ষ জনবল তৈরিতে এনএসডিএর উদ্যোগ সাংবিধানিকভাবে সকলের পরিচয় একটাই – ‘বাংলাদেশী’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিন বন্ধ পাটকল চালু করতে প্রাণ-আরএফএল ও হ্যামকোর সঙ্গে চুক্তি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে উত্তরাঞ্চলের সমৃদ্ধি: ত্রাণমন্ত্রী ফ্রাঙ্কফুর্ট ও আশপাশে গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ ঘটনা: রেলপথে বিঘ্ন, দাবানল, যানজট, বিমানবন্দর অভিযান ও সূর্যগ্রহণের প্রস্তুতি আলবার্ট আইনস্টাইন: কৌতূহল ও অধ্যবসায়ের অনন্য দৃষ্টান্ত শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয় রোডেনবাখে বনাঞ্চলে আগুন, বড় ধরনের ফায়ার সার্ভিস জার্মানিতে অর্থনীতি ও রেল খাতে সংস্কারে নতুন উদ্যোগ রিয়াদের কারখানায় আগুনে নিহত ১৬ বাংলাদেশি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শোক

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে উত্তরাঞ্চলের সমৃদ্ধি: ত্রাণমন্ত্রী

জার্মান- বাংলা ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তরাঞ্চলের সৌভাগ্যঅর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুতিনি বলেছেন, এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে উত্তর জনপদের দীর্ঘদিনের বন্যাখরার মতো দুর্যোগ অনেকাংশে দূর হবে। একই সঙ্গে অঞ্চলটি আরও সমৃদ্ধসম্ভাবনাময় জনপদে পরিণত হবে।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধি’ বা ‘প্রভাতী’ প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ‘স্থানীয় পর্যায়ে বন্যার আগাম সতর্কতা ও প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের অগ্রগতি অবহিতকরণ উপলক্ষে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা শুধু একটি অবকাঠামোগত উদ্যোগ নয়; উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভবিষ্যৎ, জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। মহাপরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে বন্যা ও খরার ক্ষয়ক্ষতি কমানোর পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

তিনি বলেন, দেশের উত্তর জনপদের সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিবিড়ভাবে জড়িত। এ কারণেই বর্তমান দেশপ্রেমিক ও গণতান্ত্রিক সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।
দেশের দুর্যোগ পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ষড়ঋতুর এই দেশে দুর্যোগ মানুষের জীবনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জড়িয়ে আছে। প্রতিবছরই বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হানে। এসব দুর্যোগে অনেক মানুষ ঘরবাড়ি, সম্পদ ও জীবিকার উৎস হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন।

দুর্যোগের এমন কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আশার আলো হয়ে দাঁড়ায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
কর্মশালায় জানানো হয়, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বন্যাপ্রবণ গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও জামালপুর জেলার ১৯টি উপজেলায় ‘স্থানীয় পর্যায়ে বন্যার আগাম সতর্কতা ও প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন’ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে মৌসুমি বন্যার আগাম পূর্বাভাস ব্যবস্থা আরও কার্যকর করা এবং বন্যার সতর্কবার্তা দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।

আগাম সতর্কবার্তা ও পূর্বাভাস ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে বন্যাপ্রবণ এলাকার মানুষকে দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুত হতে সহায়তা করা হচ্ছে। এতে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমানোর পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান সভাপতিত্ব করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব এবিএম সফিকুল হায়দার এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সূত্র: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

 

 

 

 

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD