শিরোনাম :
এই সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী এবারের বাজেট হবে মানবিক বাংলাদেশ গড়ার বাজেট : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী উন্নয়ন করতে হবে সবাইকে একসাথে :ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন জবাবদিহিতামূলক এলিট ফোর্স গঠনে নতুন আইন প্রণয়ন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় ও উর্বর ক্ষেত্র বাংলাদেশ: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সিঙ্গাপুরের অনিবাসী হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ হামবুর্গে বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো বাংলা বইমেলা ও বাংলা কার্নিভাল সমুদ্র! তোমাকে প্রয়োজন ইবোলা পরিস্থিতিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ডব্লিউএইচওর গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত, বাড়ছে ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব

এবারের বাজেট হবে মানবিক বাংলাদেশ গড়ার বাজেট : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশের উদ্যোগে রাজধানী ঢাকায় ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক একটি প্রাক-বাজেট সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংলাপে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, অর্থনীতিবিদ, গবেষক, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি এবং নাগরিক সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনাব তৌফিকুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক, সিপিডি। আসন্ন জাতীয় বাজেটকে আরও জনমুখী, দক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায্য করার লক্ষ্যে সংলাপে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ উপস্থাপিত হয়।

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, এবারের বাজেট হবে মানবিক বাংলাদেশ গড়ার বাজেট। কাউকে পিছনে ফেলে নয়, সবাইকে সাথে নিয়ে বর্তমান সরকার একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে ৩০ জুন ২০২৭ সালেরর মধ্যে প্রায় ৪০ লক্ষ ২০ হাজার পরিবারকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি জানান, এই কর্মসূচি সম্পূর্ণ

এনআইডি বেইজ ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে এবং সুবিধাভোগীদের ব্যাংক হিসাবে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি অর্থ পৌঁছে যাবে।

মন্ত্রী গতকাল দুপুরে ঢাকায় গুলশানে লেকশোর হোটেলে সিপিডি আয়োজিত জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক নাগরিক প্লাটফর্মের প্রাক- বাজেট সংলাপ আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন কার্যক্রম, হিজরা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, দলিত, হরিজন ও বেদে জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি, চা শ্রমিক, শিশু ও নারীদের সুরক্ষায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন দারিদ্র বিমোচন এবং নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ওএমএস এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চলমান রয়েছে, এছাড়াও ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট’ কর্মসূচি র আওতায় দুস্থ মহিলাদের চাল বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, কৃষক কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা কৃষকদের কৃষি উপকরণ সহায়তা, শস্যবীজ সরবরাহ , শস্যবীমা এবং কৃষিঋণের সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই। দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে বিশেষত নারী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারের কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে বিশ্বাসী —কাউকে পিছনে ফেলে নয়, সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যাওয়াই সরকারের লক্ষ্য।

মাননীয় সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবিব বলেন, দীর্ঘদিনের মধ্যে বর্তমান সরকারই সম্ভবত সবচেয়ে সীমিত সময়ের মধ্যে বাজেট প্রণয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। তিনি বলেন, বাজেটের আকার বৃদ্ধির চেয়ে বাস্তবায়নের দক্ষতা নিশ্চিত করাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ভাষায়, বাজেটের সফলতা নির্ভর করে সঠিক সময়ে সঠিক মানুষের কাছে সম্পদ পৌঁছে দেওয়ার ওপর। তিনি যাকাত ব্যবস্থাপনাকে সুচিন্তিতভাবে রাষ্ট্রীয় কল্যাণ কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয়ের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিতে ব্যক্তিগত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

মাননীয় সংসদ সদস্য মো. সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, কর ফাঁকি রোধে কার্যকর ডিজিটাল সমাধান অত্যাবশ্যক। তিনি চাঁদাবাজি ও বাজার অনিয়মের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সুশাসন ও আইনের শাসন নিশ্চিত না হলেও বেসরকারি বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। একইসঙ্গে তিনি কর ব্যবস্থায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সংসদে বাজেট নিয়ে আরও গভীর ও কাঠামোবদ্ধ আলোচনার জন্য নির্দিষ্ট সময় ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায়,সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিকে আরও কার্যকর করতে ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্টার (ডিএসআরএস) সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করা সম্ভব হবে এবং কর্মসূচির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও জোরদার হবে। তিনি আরও জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে ‘সেভার সিস্টেম’ নামে একটি নতুন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে, যা সরকারি সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

সভাপতি ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, আসন্ন বাজেটটি বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট হওয়ায় এটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে চারটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি —কাঠামোগত দুর্বলতা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট, আইএমএফ কর্মসূচির শর্তাবলি এবং জনগণের উচ্চ প্রত্যাশা। তিনি বলেন, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা সীমিত হলেও সুশাসন ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আরও কার্যকর ফল অর্জন সম্ভব।

ড. ভট্টাচার্য বাজেটে পাবলিক ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্টকে কেন্দ্রীয় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ৬ লক্ষ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রায় ৪২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন, যা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। তিনি কর ছাড়ের যৌক্তিকীকরণ, কর ফাঁকি রোধে ডিজিটাল ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং করের আওতা সম্প্রসারণের সুপারিশ করেন। তাঁর মতে, সরকারের সম্পদ আহরণের সক্ষমতার ওপরই বাজেট বাস্তবায়নের সামগ্রিক সাফল্য নির্ভর করবে।

সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাজেটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সম্পদের ন্যায্য পুনর্বণ্টন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার যে পরিমাণ রাজস্ব আদায় করার কথা তার তুলনায় প্রকৃত আদায় অনেক কম, যা দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির প্রতিফলন। তিনি রাজস্ব ব্যবস্থায় বিভিন্ন ডিজিটাল সিস্টেমের মধ্যে আন্তঃসংযোগ (ইন্টারঅপারেবিলিটি) নিশ্চিত করার সুপারিশ করেন এবং প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ে গুণগত পরিবর্তন আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তিনি ঋণ ব্যবস্থাপনায়, বিশেষ করে নন-কনসেশনাল ঋণের ক্ষেত্রে, সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)-এর মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক বলেন, বাজেটের মূল সমস্যা শুধু আয়ে নয়, ব্যয়ের ধরনেও নিহিত। তিনি বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হলেও সেই অর্থ কার্যকরভাবে ব্যয় নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তাঁর মতে, “বাজেট মানে শুধু অর্থ বরাদ্দ নয়, বরং সেই অর্থের সময়োপযোগী ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা।” তিনি কর ব্যবস্থাপনায় একটি প্যারাডাইম শিফটের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বলেন, কর ব্যবস্থার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত অর্থনীতিকে গতিশীল রাখা, কেবল রাজস্ব আহরণ নয়। তিনি সরকারি কর্মীবাহিনীর যৌক্তিক পুনর্গঠনেরও সুপারিশ করেন।

বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি মোহাম্মদ ফজলুল হক বলেন, বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির চেয়ে বিদ্যমান বরাদ্দের কার্যকর ও মানসম্মত ব্যবহার নিশ্চিত করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট দূর না হলে বেসরকারি বিনিয়োগ পরিবেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “আজকের বাজেট আলোচনার কেন্দ্রে থাকা উচিত পাবলিক ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্ট — কারণ সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ কার্যকর ব্যবহারই টেকসই উন্নয়নের চাবিকাঠি।” এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি সুনির্দিষ্ট ট্রানজিশন ফান্ড গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক শরমিন্দ নীলোর্মি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও প্রতিনিধিত্ব ছাড়া তৃণমূল পর্যায়ে বাজেটের কার্যকর বাস্তবায়ন কঠিন। তিনি কর নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার একটি উদ্ভাবনী প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “ইপিআই কর্মসূচির মতো ছোট ছোট দল গঠন করে মানুষের কাছে পৌঁছে ট্যাক্স সাবমিশনে সহায়তা করা গেলে করদাতার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।” তিনি বাণিজ্যে আন্ডার-ইনভয়েসিং ও ওভার-ইনভয়েসিং রোধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং জলবায়ু অর্থায়নে উদ্ভাবনী অর্থায়ন পদ্ধতি ব্যবহারেরও সুপারিশ করেন।

সংলাপে নিম্নলিখিত মূল সুপারিশসমূহ উঠে আসে:
রাজস্ব আদায় বৃদ্ধিতে কর ছাড়ের যৌক্তিকীকরণ এবং কর ফাঁকি রোধে সমন্বিত ডিজিটাল ট্যাক্স সিস্টেম প্রতিষ্ঠা;
ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচিতে স্ব-নিবন্ধনের সুযোগ এবং কার্যকর গ্রিভ্যান্স রিড্রেস ব্যবস্থা নিশ্চিত করা;
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে পুরোনো ও কম কার্যকর প্রকল্প বাদ দিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা;
সম্পদ কর ও উত্তরাধিকার কর প্রবর্তনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা;
প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করা;
এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি ট্রানজিশন ফান্ড গঠন এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ করা;
এনবিআর-এর নীতি ও রাজস্ব আদায় বিভাগ পৃথক করে কর ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
সভায় নাগরিক সমাজের বিভিন্ন সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি, শ্রমিক নেতা এবং উন্নয়ন সহযোগীরাও তাঁদের মতামত ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন। বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিও সভায় উপস্থিত ছিলেন এবং বাংলাদেশের বাজেট প্রক্রিয়ায় রাজস্ব আহরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আশা প্রকাশ করে যে, সংলাপে উত্থাপিত সুপারিশসমূহ আসন্ন জাতীয় বাজেটে প্রতিফলিত হবে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায্য ও টেকসই অর্থনৈতিক বাংলাদেশ গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD