শিরোনাম :
সম্পাদকীয়:যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা-বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে মূল্যস্ফীতি, চাপে জনজীবন যুক্তরাজ্যে মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে বিলিয়ন পাউন্ডের আইনি লড়াই মহাকাশ কূটনীতিতে চীন-পাকিস্তান সম্পর্কের নতুন অধ্যায় জাপানের পদক্ষেপে এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিয়ে শঙ্কা ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প, ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থই প্রধান আঞ্চলিক সংঘাতের বিস্তার রোধে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করতে চীন-কম্বোডিয়ার নতুন উদ্যোগ ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি স্থগিতে ৩ দেশর চাপে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বৈশ্বিক উন্নয়নে গ্লোবাল সাউথের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর কৌশল এআই-সময়ের চাহিদা মেটাতে চীনের শিক্ষায় নতুন দিগন্ত খুলছে

এআই-সময়ের চাহিদা মেটাতে চীনের শিক্ষায় নতুন দিগন্ত খুলছে

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর নতুন বিশ্বে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে জোর দিচ্ছে চীন। এ বিষয়ে চীনে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ বিষয়ে সংস্কার চালাচ্ছেন দেশটির বিশেষজ্ঞরা। এ নিয়ে বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইআরে হয়ে গেলো এক কর্মশালা। যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুগে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং চীন থেকে কীভাবে এ বিষয়ে শিক্ষা নেওয়া যায় এ প্রসঙ্গে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ডক্টর ছেং লি। আরও ছিলেন ঢাবির আইইআরের অধ্যাপক ফজলুর রহমানসহ শিক্ষকমণ্ডলী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা গবেষণা ইনস্টিটিউটের শহীদ সাদাত আলী কনফারেন্স কক্ষে সকাল সাড়ে ১০টায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এর বিষয়বস্তু ছিল ’কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে দক্ষ কর্মশক্তি নির্মাণ: চীনের বৃত্তিমূলক শিক্ষা সংস্কার এবং তার শিক্ষা’। এতে অংশ নেন ঢাবির আইইআরের শিক্ষার্থীরাও। সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট এ কর্মশালার আয়োজক ছিল।

এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা, বিশেষ করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা কীভাবে পরিবর্তিত হওয়া উচিত, এ নিয়ে শুরুতে বক্তব্য রাখেন ডক্টর ছেং লি। তিনি তুলে ধরেন কীভাবে কারিগরি পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে চীনের শিক্ষাব্যবস্থা এবং পরবর্তীতে কর্মক্ষেত্রেও তারা কীভাবে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

চীনে বর্তমানে ১১ হাজারের বেশি ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠান ও প্রায় তিন কোটি ৫০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছেন। আধুনিক শিল্পে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের ৭০ শতাংশের বেশি এই খাত থেকে আসেন বলেও জানান চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটির এই সহযোগী অধ্যাপক। যেখানে বাংলাদেশের মতো তরুণ জনগোষ্ঠী-সমৃদ্ধ দেশের জন্যও ভোকেশনাল শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। দেশে ৭ কোটির বেশি শ্রমশক্তি থাকলেও তরুণ বেকারত্ব ও দক্ষতার ঘাটতিকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চীন ‘এআই শিক্ষা’ কর্মপরিকল্পনা চালু করেছে। এর আওতায় কারিগরি শিক্ষায় নতুন পাঠ্যক্রম চালু, পুরনো পাঠ্যক্রম হালনাগাদ এবং কিছু অপ্রয়োজনীয় বিষয় বাতিল করা হচ্ছে চীনে। ছেং বলেন, এআইভিত্তিক শিক্ষণ পদ্ধতি, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রশিক্ষণ এবং স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তার দেশে। এ থেকে চীন সুফল পাওয়ায় বাংলাদেশেও কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থায় আরও জোর দেওয়া যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি, যেন ভবিষ্যতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের চাকরির বাজারে মানিয়ে নেওয়া আরও সহজ হয়।
এক ঘণ্টার কর্মশালার সবশেষে ছিল প্রশ্নোত্তর পর্ব। অনুষ্ঠান শেষে ডক্টর ছেং লির হাতে তুলে দেওয়া হয় উপহার।

সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD