শিরোনাম :
যুক্তরাজ্যে মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে বিলিয়ন পাউন্ডের আইনি লড়াই মহাকাশ কূটনীতিতে চীন-পাকিস্তান সম্পর্কের নতুন অধ্যায় জাপানের পদক্ষেপে এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিয়ে শঙ্কা ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প, ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থই প্রধান আঞ্চলিক সংঘাতের বিস্তার রোধে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করতে চীন-কম্বোডিয়ার নতুন উদ্যোগ ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি স্থগিতে ৩ দেশর চাপে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বৈশ্বিক উন্নয়নে গ্লোবাল সাউথের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর কৌশল এআই-সময়ের চাহিদা মেটাতে চীনের শিক্ষায় নতুন দিগন্ত খুলছে কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৮৪ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় শাড়ী জব্দ

জাপানের পদক্ষেপে এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিয়ে শঙ্কা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

গত ২১ এপ্রিল, জাপানের সামরিকবাদ সামনের দিকে একটি বড় বিপজ্জনক পদক্ষেপ ফেলেছে; দেশটির সরকার প্রাণঘাতি অস্ত্রের রপ্তানি অনুমোদন করেছে। এটা হচ্ছে জাপানের নিরাপত্তানীতির বড় পরিবর্হনের একটি সংকেত। এর বিরুদ্ধে জাপানের জনগণ ও আন্তর্জাতিক সমাজ প্রবল অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। সবাই চিন্তিত হয়েছে এই ভেবে যে, জাপানের এই নতুন পদক্ষেপ বিশ্বের জন্য নতুন হুমকি বয়ে আনবে। জাপানের জনসাধারণের একটা অংশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে সমাবেশ করে এর প্রতিবাদও জানিয়েছে।

এদিকে, জাপানের মুখ্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ৮০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গড়ে ওঠা শান্তিপূর্ণ দেশের মৌলিক ধারণায় জাপান অবিচল থাকবে’। তবে, এ বক্তব্য তাদের কর্মকাণ্ডের প্রকৃত লক্ষ্য ঢাকতে পারে না। দেশটির সরকার ইতোমধ্যেই ‘জাপানের শান্তিপূর্ণ সংবিধান’ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলাকে গুরুতরভাবে লঙ্ঘন ও নষ্ট করেছে। এদিকে, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দৃঢ়ভাবে জাপানের ‘নতুন সামরিকবাদ’-এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে; এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, জাপানের প্রতিরক্ষা নিরাপত্তানীতির উচিত ‘শান্তিপূর্ণ সংবিধান’-এর চেতনায় অবিচল থাকার পাশাপাশি, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা এগিয়ে নেওয়ার দিকে মন দেওয়া।

রুশ উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রে রুডেঙ্কো মনে করেন, জাপান অব্যাহতভাবে সামরিকবাদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এতে প্রতিবেশীদেশগুলোর নিরাপত্তা স্বার্থও বিনষ্ট হচ্ছে। ইতিহাসে জাপান বিশ্বকে ভয়াবহ দুর্যোগের মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল। বতর্মানে জাপান দ্রুতগতিতে পুনঃসামরিকবাদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সমাজ, বিশেষ করে আশেপাশের দেশগুলোর শুধু এ ব্যাপারে সচেতন থাকলেই চলবে না, বরং একযোগে জাপানের নতুন সামরিকবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। জাপানকে আবার যুদ্ধের খেলায় মেতে উঠতে দেওয়া যাবে না। সূত্র:আকাশ-আলিম-শিশির,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD