শিরোনাম :
৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক ছাড়বে সব মার্কিন সেনা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টায় বন্ধ হবে শপিংমল ও দোকানপাট প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের তালিকা করবে সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ লঘুচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, বৃষ্টির পূর্বাভাস অব্যাহত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিতের আবেদন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট সালমান শাহ হত্যা মামলা: জামিন পেলেন না অভিনেতা আশরাফুল হক ডন বিশ্বজুড়ে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখার অপেক্ষা, ইউরোপে থাকবে সবচেয়ে ভালো দৃশ্য বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে নতুন সম্ভাবনা সম্পাদকীয়:তারুণ্যের শক্তিতেই গড়ে উঠুক আগামীর বিশ্ব

সম্পাদকীয়-জাতিসংঘ দিবস: ঐক্যের পথে মানবতার অঙ্গীকার

সম্পাদকীয়:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫

সম্পাদকীয়:প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়- যুদ্ধবিধ্বস্ত পৃথিবীতে শান্তি, নিরাপত্তা ও মানবকল্যাণ নিশ্চিত করার এক অনন্য প্রচেষ্টার গল্প। ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও ন্যায়ভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যবস্থার এক নতুন অধ্যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকার পর প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা আজও মানবজাতির জন্য আশার আলোকবর্তিকা হয়ে আছে।

জাতিসংঘের মূল লক্ষ্য ছিল জাতিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা। সময়ের পরিক্রমায় এর কার্যপরিধি বিস্তৃত হয়েছে মানবাধিকার, নারী-পুরুষ সমতা, দারিদ্র্য বিমোচন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা থেকে শুরু করে মানবিক সহায়তা ও শরণার্থী সুরক্ষা পর্যন্ত। তবুও, বিশ্বের নানা প্রান্তে যুদ্ধ, সহিংসতা ও বৈষম্যের চিত্র আমাদের মনে করিয়ে দেয়- জাতিসংঘের আদর্শ বাস্তবায়নে এখনও অনেক পথ বাকি।

আজকের দিনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো- বৈশ্বিক বিভাজন ও আস্থাহীনতার সংকট। উন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্বের মধ্যে পারস্পরিক দায়বদ্ধতা ও সহযোগিতা দুর্বল হয়ে পড়েছে। জাতিসংঘের সংস্কার ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বারবার। অথচ এই সংস্থাটিই মানবতার শেষ আশ্রয়স্থল, যেখানে ছোট-বড় সব দেশ সমানভাবে কণ্ঠ তুলে ধরতে পারে।

বাংলাদেশ জাতিসংঘের আদর্শে বিশ্বাসী একটি সক্রিয় সদস্য দেশ। শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন এবং মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের ভূমিকা জাতিসংঘের মূলচেতনারই প্রতিফলন।

এই দিবসে আমাদের প্রত্যয় হোক- আন্তর্জাতিক শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে একে অপরের অংশীদার হওয়া। জাতিসংঘ তখনই সত্যিকার অর্থে কার্যকর হবে, যখন প্রতিটি রাষ্ট্র নিজের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানবতার কল্যাণে কাজ করবে। বিশ্বে শান্তি, ন্যায় ও সমতার স্বপ্ন বাস্তবায়নেই জাতিসংঘ দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য নিহিত।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD