রাশিয়া এবং ইংল্যান্ড ফুটবল ফ্যানদের মধ্যের বিবাদ বেশ পুরনো। খেলার মাঠ ছেড়ে এবার সেই বিবাদ স্পর্শ করল ইংল্যান্ড ফুটবলারদের স্ত্রী এবং গার্লফ্রেন্ডদের। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে রাশিয়ান সমর্থকরা ট্রল করছেন ব্রিটিশ সুন্দরীদের। তাদের দাবী, রাশিয়ান ফুটবলারদের সঙ্গে বিশ্বকাপ সফরে আসা স্ত্রী এবং বান্ধবীরা নাকি দেখতে খারাপ! এই ব্রিটিশ সুন্দরীদের থেকে রাশিয়ার যে কোনো সাধারণ মেয়েও সুন্দরী। আর এতেই চটেছেন ব্রিটিশ সমর্থকরা।
বিশ্বকাপ ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে গ্ল্যামার। পুরো ইভেটন্টিকে আলো করে রাখেন ফুটবলারদের সঙ্গে আসা ‘ওয়াগস’রা (ওয়াইফ এন্ড গার্লফ্রেন্ডস)। প্রতিটা ফুটবল দলের কাছে এই ‘ওয়াগস’রা আভিজাত্যের প্রতীক। স্বাভাবিকভাবে তাদের দিকে আঙুল উঠলে চটবেন ব্রিটিশ সমর্থকরা। রাশিয়ান সমর্থকদের মধ্যে অনেকে তো সোজাসুজি বলে দিচ্ছেন, ‘ব্রিটিশ মহিলারা স্রেফ জঘন্য। ওরা এখানে আসলে রাশিয়ান পুরুষদের ওদের হাত থেকে বাঁচার জন্য গার্ড নিতে হবে।’ সোশ্যাল মিডিয়াতে এক রাশিয়ান বৃদ্ধার ছবিও ভাইরাল করা হয়েছে রাশিয়ানদের পক্ষ থেকে। যার সঙ্গে ব্রিটিশ ফুটবলারদের সুন্দরী গার্লফ্রেন্ডদের তুলনা করে লেখা হচ্ছে, ‘ইনিও ব্রিটিশ নারীদের থেকে সুন্দরী।’
বিশ্বকাপের ফুটবল যুদ্ধ দেখার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষের ঢল নামে গ্যালারিতে। ফুটবলের টানে মাঠে উপস্থিত থাকেন বিভিন্ন দেশের সুন্দরীরাও। ফুটবলারদের গার্লফ্রেন্ড এবং স্ত্রীদেরও মাঠে দেখা যায় খেলোয়াড়দের উৎসাহ দিতে।
রাশিয়া বিশ্বকাপের শুরু থেকেই বর্ণবিদ্বেষ এবং বিদ্রুপকারীদের দৌরাত্ম্য নিয়ে ভয়ে ছিলেন অনেক ফুটবলার। নিজের স্ত্রী কিংবা গার্লফ্রেন্ডকে রাশিয়া নিয়ে যেতে সাহস পাচ্ছেন না, এমন কথাও জানিয়েছিলেন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ স্কোয়াডের কয়েকজন ফুটবলার । কিন্তু এত সব সত্ত্বেও ফুটবলের অমোঘ টান উপেক্ষা করতে পারননি ফার্ন হকিন্স, অ্যানাবেল পাইটনরা। মাঠে উপস্থিত থেকে এই ব্রিটিশ সুন্দরীরা উৎসাহ দিয়েছেন ইংল্যান্ড দলকে।