আমি সংবিধান বলছি
শাহাদাত সুফল
স্বীয় পদে আদিষ্ট হয়ে
একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা
যদি হয়ে থাকে গন্তব্য কিংবা নির্বাচনী ইশতেহারের
প্রধানতম কর্মসূচি,
মানবাধিকারের তোয়াক্কা যদি করে থাকে,
মৌলিক অধিকারের অধিগ্রহণ থেমে থাকে কী করে!
যেখানে অব্যাহত থাকে প্রেমের অধিবেশন,
সেখানে ভাত ও মাংসের অধিকার চেয়ে- কাঁদে না শিশু
বয়োঃবৃদ্ধরা করে না হাহাকার,
আমজনতার দুঃখ দেখে কাঁপে না আকাশ থরথর!
ইনসাফের আশায় কাটে না প্রহর অবিরাম-
কোর্ট কিংবা কাছারির দীর্ঘ বারান্দায়;
সমাজের উঁচু-নিচু ভেদাভেদ থাকে না মনের করিডোরে
মানুষের মর্যাদা আল্লাহ্র দেয়া উপহার:
শাসক পারে না তার বিচ্যুতি করতে কায়েম;
কেননা, দায়বদ্ধতা আছে তাঁর মানুষের মানুষীর আত্মার কাছে;
অভিপ্রায় অভিরুচি সকলের কেবলি নিছক নয়- রক্তছবি!
তুমি আমি যতটুকু জানি তার সম্প্রসারণ,
তার অধিক স্বাধীনতা সংগ্রাম- মুক্তির আহ্বানে গ্রাম থেকে শহরে
প্রতিধ্বনিত হোক অর্থের রাজনীতি বন্ধের দাবী!
স্বাধীনতা সুবিচার সাম্যের রাষ্ট্র ছড়িয়ে পড়ুক তবে ভেতর বাহিরে;
অতঃপর মনখুলে বলবে লোকে, কৃষকের রক্তের ঘামের দামে
একটা কবিতা লেখা হয়েছিলো একদিন এদেশের বুকে-
আমিই সে কবিতা- সংবিধান, বলছি তোমাদের সবিনয়ে
আবৃত্তি করো আমাকে, নিপুণ দরদ ও ভালোবাসা দিয়ে।
রচনাকাল:
১৯-০৬-২০২৩ খ্রী:।