শিরোনাম :
তীব্র তাপপ্রবাহে ইতালিতে মৃত ৫, তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রিতে পৌঁছানোর আশঙ্কা মিনাবের বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ‘প্রকৃত দায়ী কে, তা হয়তো জানা যাবে না’ পরপর দুই শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা, নিহত ১৬৪ গাজায় শিশু হত্যাকে যুদ্ধাপরাধ বলছে জাতিসংঘ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তারেক রহমানের সফরে কৌশলগত অংশীদারত্বে নতুন গতি আসবে বাংলাদেশি নির্মাতার প্রথম চলচ্চিত্রেই আন্তর্জাতিক পুরস্কার টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের নতুন পথ খুঁজছে দাভোস ফোরাম ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী চীনা রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ১৬ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থানে ভেনামি চিংড়ি হতে পারে নতুন চালিকাশক্তি

শহর ছেড়ে নাড়ির টানে ছুটছে মানুষ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৪ জুন, ২০১৮

জার্মান-বাংলা রিপোর্ট:স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ। ঈদে বাড়ি যাওয়ার পঞ্চম দিনে যাত্রীদের ভিড় দেখা যায় ট্রেন, বাস ও লঞ্চে। এছাড়া টিকিট সংকটের পাশাপাশি আছে সীমাহীন ভোগান্তি, গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। তারপরও আলাদা আনন্দ খুঁজে পাচ্ছেন যাত্রীরা।

এদিন যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় হয়েছে ঢাকার কমলাপুর ও বিমানবন্দর রেলস্টেশনে। এ সময় ভেতরে জায়গা না পেয়ে অনেককেই ট্রেনের ছাদে উঠতে দেখা গেছে। ঈদ উপলক্ষে আসন ক্ষমতার তিনগুণ যাত্রী যাচ্ছে রেলে। আর প্রতিদিনই সিডিউল বিপর্যয় হচ্ছে। ঈদের বিশেষ ট্রেনের ক্ষেত্রে এ ঘটনা বেশি ঘটছে।

জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে অগ্রিম টিকিট কাটা যাত্রীরা ১০ জুন থেকে যাত্রা শুরু করেছেন। কিন্তু বুধবার থেকে বিভিন্ন ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে। প্রায় ট্রেনই দেড় থেকে দুই ঘণ্টা পযর্ন্ত বিলম্বে চলাচল করছে। আজ বৃহস্পতিবার ও আগামীকালও ভোগান্তি আরও বাড়বে।

আজ সকালেও অনেক ট্রেনই নির্দিষ্ট সময়ের ২০-৩০ মিনিট দেরি করে ছেড়ে যেতে দেখা গেছে। এ ছাড়া ভোর থেকে গাবতলী-মহাখালী বাস টার্মিনালে যাত্রীদের বেশ ভিড় দেখা যায়। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালেও ছিল বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড়।

রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী শারমিন বলেন, ঈদের এমন একটু কষ্ট তো হবেই। তারপরও বাড়ি যেতে পারছি এতেই খুব ভালো লাগছে।

রেলপথ সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন জানান, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে জরুরি। এক ঘণ্টা কিংবা ৩০ মিনিট বিলম্বে ট্রেন চলাচল করাটাকে খুব একটা দুর্ভোগ বলা যাবে না। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে নির্ধারিত গতির চেয়ে কমগতিতে ট্রেন চালাতে হচ্ছে। তা ছাড়া প্রতিটি ট্রেনই অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে। এক একটি স্টেশনে নির্ধারিত যাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত সময় দিতে হচ্ছে। প্রচণ্ড ভিড়ে যাত্রীদের ওঠানামায় বেশি সময় লাগছে।

সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের ইউনিক পরিবহনের ম্যানেজার নাসির উদ্দিন বলেন, সকালে যাত্রীর বেশি চাপ ছিল। দুপুরে তেমন যাত্রী নেই। তবে রাতে চাপ বাড়বে।

তিনি বলেন, পর্যাপ্ত গাড়ি রয়েছে। সঠিক সময় ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছে গাড়িগুলো। তবে ঈদযাত্রায় মূল সমস্যা হয় মহাসড়কে যানজট থাকলে। এখন পর্যন্ত সব ঠিক আছে। সামনের দুই দিন যানজট না থাকলে আশা করি কোনো ঝামেলা হবে না।

পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, সঠিক সময় বাস ছেড়ে যাচ্ছে। টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। আমার জানা মতে ভাড়া বেশি নিচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের মূল সমস্যা যানজট। যানজটে কারণে এ রুটের মানুষকে সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়তে হয় প্রতিনিয়ত।

স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঢাকা থেকে বান্দরবান যাচ্ছেন পারভেজ নামের আরেক যাত্রী। তিনি বলেন, ভয় হচ্ছে রাস্তার ভোগান্তি নিয়ে। আমার সঙ্গে ছোট ছেলে-মেয়ে। রাস্তায় যদি যানজটে পড়ি, ওরা কষ্ট পাবে। দোয়া করবেন রাস্তায় যেন ভোগান্তিতে না পরি।

যাত্রাবাড়ী এলাকার হানিফ পরিবহনের ডেস্ক ম্যানেজার শামীম হোসেন বলেন, রাস্তায় যানজট না হলে সঠিক সময়ে গাড়ি আসবে, ছেড়ে যাবে। যাত্রীদের কোনো ভোগান্তি হবে না। এখন পর্যন্ত সড়কগুলো ক্লিয়ার আছে। সামনে দু’দিন ঠিক থাকলে এবারের ঈদযাত্রায় ভোগান্তি হবে না।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD