শিরোনাম :
ইরান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সংকট দেখছেন জার্মান চ্যান্সেলর আঞ্চলিক শান্তি রক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান ডিজিটাল অপপ্রচারে জাপানের অভ্যন্তরীণ সংকটের ইঙ্গিত এসসিও কাঠামোয় সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী কিরগিজস্তান জাতীয় শ্রম পদক পেলেন তিন হাজারের বেশি কর্মী এলজিআরডি মন্ত্রীর সঙ্গে বেলারুশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ:পুলিশ প্রশিক্ষণে সহযোগিতা দিবে ইউনেস্কো সংস্কৃতি চর্চা ছাড়া সমাজকে আলোকিত করা সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সাথে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সৌজন্য সাক্ষাৎ

বার্লিনে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত

ফাতেমা রহমান রুমা,জার্মানি:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ, ২০২৩

বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিন যথাযোগ্য মর্যাদায় ও বিনম্র শ্রদ্ধায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস পালন করেছে। মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব মো.মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া(এনডিসি) মহোদয়ের নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারির উপস্থিতিতে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচীর সূচনা করা হয়। তারপর মান্যবর রাষ্ট্রদূত উপস্থিত সকলকে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর প্রতিকৃতিতে  পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার প্রথমেই মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয় এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ০৭ মার্চ ১৯৭১-এ প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষণের ওপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

ঐতিহাসিক ০৭ মার্চ উপলক্ষ্যে  আয়োজিত  আলোচনা সভায় গুরুত্বপূর্ণ এই দিনের প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য আলোচনা করে মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণটির ব্যাপ্তি ১৮ মিনিটের কিছু বেশি সময়ের হলেও এর মধ্যে বাংলার মানুষের প্রতি পাকিস্থান সরকারের বৈষম্য, শোষণ এবং বাঙালির অধিকার আদায়ে আন্দোলনের বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে পাকিস্তানি শাসকদের ষড়যন্ত্রের মুখে বাংলার জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। মান্যবর রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন যে, মূলত বঙ্গবন্ধু তার এই ভাষণের মাধ্যমে পরোক্ষ ভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন যে, আজ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক এই ভাষণটি শুধু দেশের মধ্যে আলোচনায় সীমাবদ্ধ নয়, এ ভাষণটিকে ২০১৭ সালের ৩০শে অক্টোবরে ইউনেস্কো “ডকুমেন্টারি হেরিটেজ” (বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে পৃথিবীর বিখ্যাত কোন ভাষণই ১০ লক্ষাধিক মানুষের সামনে এমন গঠনমূলক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়নি।

এই ভাষণে তিনি মুক্তিকামী জনতাকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধের দিক নির্দেশনা দিয়েছলেন। অতঃপর রাষ্ট্রদূত  জাতির পিতার অতুলনীয় দেশপ্রেম, মানুষের প্রতি অপরিসীম মমত্ববোধ এবং অনন্য সাধারণ নেতৃত্বের গুণাবলীতে অনুপ্রাণিত হয়ে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে ভূমিকা পালনের জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সভায় উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, যুগ যুগ ধরে এ ভাষণ বাঙালি জাতিকে উজ্জীবিত করবে এবং বঙ্গবন্ধুকে বাঙালির হৃদয়ে চিরদিন বাঁচিয়ে রাখবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD