মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: হত্যা মামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নেত্রকোনার মদন উপজেলার মদন ইউনিয়নের মদন দক্ষিনপাড়ার এখন প্রায় পুরুষ শূন্য। গ্রামটিতে বৃদ্ধ নারী ও শিশু ছাড়া সবাই পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ফলে এই গ্রামটিতে ঈদের আনন্দ নেই বললেই চলে। সোমবার (১১ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘুরে গ্রামটিতে সুনসাল নীরবতা লক্ষ্য করা যায়। গ্রামে প্রবেশ করলেই হত্যা মামলার ক্ষত চিহৃ চোখে পড়বে। সারি সারি বাড়িঘর তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়। গ্রামের বিভিন্ন দোকানপাট ও বন্ধ। সুনসান নিরবতা এ উপজেলার এ গ্রামটি।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৫মে মদন দক্ষিনপাড়া গ্রামের বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রহিছ মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা তাজুল ইসলাম গ্রæপের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। এতে দু’পক্ষের শতাধিক লোককে আসামি করে থানায় পৃথক মামলা হয়। উক্ত ঘটনার ১৫দিন পর ৩০মে বুধবার রাতে আহত ছদ্দু মিয়া ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। উক্ত ঘটনার পর পূর্বের দায়েরকৃত মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে রজু হয়। এতে গ্রামে পুরুষ শূন্য হয়ে যায়।
উক্ত গ্রামের অনুফা, নূপুর, লাইছার সাথে দেখা হলে তারা জানান, এই গ্রামে দুই গ্রæপের সংঘর্ষের পর শতাধিক লোককে আসামী করে মদন থানায় উভয় পক্ষই মামলা দায়ের করে। পুলিশের ভয়ে পুরুষ লোকেরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেলে পুরুষ শূন্য হয়ে যায়। আমরা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।
মদন থানার ওসি মোঃ শওকত আলী জানান, মামলা হলে পুরুষ শূন্য হওয়াই স্বাভাবিক। তবে এ পর্যন্ত উক্ত গ্রামে কোন লুটপাট বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ সার্বক্ষনিক বিষয়টি নজরে রাখছে।