শিরোনাম :
হেব্রনে চতুর্থ দিনে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান: বাস্তুচ্যুত ২৬০০ ছাড়াল, গ্রেপ্তার ৭০ পারস্পরিক সুবিধা ও আস্থার ভিত্তিতে বহুমুখী সহযোগিতা গভীর করছে চীন ও বেলজিয়াম উত্তেজনার মুখে গভীর রাতে কড়া নিরাপত্তায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পসারীর দাফন সম্পন্ন ডিসেম্বরে শুরু হচ্ছে বিসিবির ‘ডি থ্রি ট্রফি’: ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্টে শীর্ষে শরিফুল বিকল্প শিরোনাম ২: মধ্যরাতেই ‘প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে’ রূপ নিতে পারে ‘অর্ণব’ : সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সংকেত ৯ মাসে ১০৯ শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার: আইনি দুর্বলতায় থমকে যাচ্ছে মাদ্রাসার বিচারপ্রক্রিয়া চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবারুণ অরুণ প্রভায় জাপানে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব: শামা ওবায়েদ বিহারের সিওয়ানে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুই শিশুসহ নিহত বেড়ে ৫

করোনা : ঝালকাঠির খামারিরা মারাত্মক আর্থিক সংকটে পড়ার আশংকায়

বাধন রায়, ঝালকাঠি (বাংলাদেশ)
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০

করোনা মহামারির কারনে ঝালকাঠির খামারিরা এ বছরের কোরবানিতে মারাত্মক আর্থিক সংকটে পড়ার আশংকা করছেন। সারা বছরের পরিশ্রমের ফল হিসেবে লাভের আশা থাকলেও এবারের করোনা পরিস্থিতি তাদের সে আশা নিরাশায় পরিনত হচ্ছে। তবে, প্রাণি সম্পদ বিভাগ বলছেন ভিন্ন কথা, খামারিরা ঈদের পরেও এসব পশু বিক্রি করতে পারবেন, ফলে তাদের আশংকা অনুযায়ী লোকশান হবে না। অপর দিকে অনলাইনে হাটবসানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রাণি সম্পদ বিভাগ। তবে এখন পর্যন্ত এ হাটের কোন সাড়াই পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। নতুন এ পদ্ধতিতে ক্রেতা-বিক্রেতা কেহই আগ্রহী নন।

ঝালকাঠিতে আসন্ন ঈদুল আযহায় পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার। জেলায় ১২শ’৩০টি খামর এবং পারিবারিক ভাবে লালন পালনকৃত পর্যাপ্ত সংখ্যক পশু প্রস্তত রয়েছে। এসব পশু কোরবানি উপযোগী মোটাতাজা করনে খড়-, দানা, শস্য বিশেষকরে গম, খৈল, ভুষি, এবং কাঁচা ঘাস খাওয়ানো হচ্ছে। দীর্ঘদিন করোনা থাকায় গো-খাবার, ঔষধ, কিটনাশক, পরিবহন ও লেবার মুজুরি অন্য সময়ের চেয়েঅনেক বেশি। তাইঅন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছরগরু তৈরিতে খরচ হয়েছে অনেক বেশি। খামারিরা ব্যাংক ঋনের সাহায্যে অর্থের সংস্থান করে এসব খামার গড়ে তুলেছেন। সারা বছরের পরিশ্রমের ফল হিসেবে লাভের আশায় থাকলেও এবারের করোনা পরিস্থিতি তাদের সে আশাপূরণ হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার উত্তর পিংড়ী এলাকার সৈয়দ এগ্রো ফার্মের মালিক সৈয়দ এনামুল হক কৃষি ব্যাংক থেকে ঋননিয়ে ৬০টি গরু ও ৭০টি ছাগল কিনে প্রায় এক বছর ধরে লালন-পালন করে বিক্রি উপযোগী করে তুলেছেন। তার আশা এবারে কোরবানীতে ৪০টি গরু ও ৫০টি ছাগল বিক্রি করে ব্যাংক ঋণ পরিশোধের পরে ভাল মুনাফা পাবেন। তবে করোনায় তার এ লক্ষ্য অর্ধেকও পুরণ হবে না বলে জানান। একওই অবস্থা জেলার অন্যান্য খামারিদেরও। তবে প্রানি সম্পদ বিভাগ বলছেন ভিন্ন কথা, খামারিরা ঈদের পরেও এসব পশু বিক্রি করতে পারবেন, ফলে তাদের আশংকা অনুযায়ী লোকশান হবে না। জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছাহেব আলী জানান, প্রাণি সম্পদ কর্মকতার্ জানান, করোনা ভাইরাসের কারনে কোরবানী ঈদে হয়তো আশানারুপ পশু বিক্রি নাও হতে পারে। তবে বিক্রি উপযোগি পশুগুলো কোরবানীর পরেও বিক্রি করা যাবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD