গত বছর ডিসেম্বরে চীনের উহান প্রদেশ থেকে করোনা ভাইরাস সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।
করোনা মুক্তির পথ খুঁজছে বিশ্ব। দেশে দেশে নানা উপায়ে চলছে প্রতিরোধ-প্রস্তুতি, জনসাধারণকে সচেতন ও তাদের ঘরে রাখার জন্য নেয়া হচ্ছে সব ধরনের উদ্যোগ। এরইমধ্যে প্রাণঘাতি এই ভাইরাসের কাছে আত্মসমর্পন করে মারা গেছেন তিন লাখের কাছাকাছি মানুষ।
করোনাভাইরাসের উৎস চীনে নতুন করে সংক্রমণ দেখা দিলেও, নেই মৃত্যু সংবাদ। চীনের উত্তরাঞ্চলীয় দাতং শহর পরিদর্শনের সময় প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে দেখা গেলো স্বস্তিতেই। জনগণের করতালির উষ্ণ অভ্যর্থনায় আপ্লুত চীনা প্রেসিডেন্ট।
তবে করোনা মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে বিশ্বমোড়ল যুক্তরাষ্ট্র, বিপর্যস্ত ধনাঢ্য ইউরোপ। করোনার থাবায় আক্রান্ত পৃথিবী নামক পুরো গ্রহটিই।
লাতিন আমেরিকার দেশগুলো চেষ্টা করছে মহামারি থেকে বাঁচার। পেরুভিয়ানরা খাবারের দোকানগুলোতে এসেই সংক্রমিত হচ্ছে বেশি। দেশটিতে আক্রান্ত প্রায় ৬৯ হাজার, প্রাণ হারিয়েছে ১৯ হাজারের বেশি।
তীব্র শীতে করোনা সংক্রমণে জর্জরিত চিলি। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩০ হাজার। আক্রান্তের ৭০ ভাগই রাজধানী সান্তিয়াগোতে। মারা গেছে ৩২৩ জন। করোনা সংকটের মধ্যে চিলির গ্রামাঞ্চলে কাঠের আগুন জ্বালিয়ে কোনোরকম শীত নিবারণ করছে দরিদ্র জনগণ। এতে আরো বাড়ছে দূষণ, বাড়ছে শ্বাস কষ্টের রোগী।
করোনার কারণে চাকরি হারানোদের বুথের মাধ্যমে চাল বিতরণ করা হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ায়। সেনা সদস্যদের তৎপরতায় প্রতিদিন এক হাজার বেকারের মাঝে দেড় টন চাল বিতরণ করা হচ্ছে। দেশটিতে করোনা আক্রান্ত প্রায় ১৫ হাজার, মারা গেছে হাজারের কাছাকাছি।
উল্লেখ্য, সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৪২,৫৬,০২৪ জন , মৃত সংখ্যা ২,৮৭,৩৩২ জন।