বিশ্বের অনন্য দেশের সাথে সাথে মালয়েশিয়াও বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই ৩৩ করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তি চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তাই হতাশার মধ্যে আশার আলো দেখাচ্ছে মালয়েশিয়ার চিকিৎসা। এই পর্যন্ত মালয়েশিয়ার কোথাও বাংলাদেশি আক্রান্তের খবর না পাওয়া গেলেও বিদেশিদের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে চাইনিজ, জাপান, ইটালিয়ান আমরিকা ও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। মালয়েশিয়া জুড়ে সর্বশেষ খবর অনুযায়ী শনিবার পর্যন্ত ২৩৮ জন করোনায় আক্রান্তের খবর প্রকাশ করে বেরনামা।
করোনায় সব থেকে বেশি আক্রান্ত মালয়েশিয়ার সেলাংগার প্রদেশে। সর্বশেষ সংবাদ অনুযায়ী ১০৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে সেলাংগারে। শুক্রবার পারলিসে জুম্মার নামাজ মসজিদে বাতিল করে ঐ প্রদেশের রাজা। তবে মালয়েশিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হলেও এখনো কোনো মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়নি। মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে বিদেশে অভিবাসীদের করোনা ভাইরাস পরীক্ষার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেদেশে অবস্থিত বিভিন্ন কলকারখানা গুলোতে বিদেশি অভিবাসীদের কাজে যোগদান করার আগে সম্ভাব্য সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
সেদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, আমরা বিদেশি অভিবাসীদের রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেব। আমরা চাই তারা সুস্থ থাকুন। এছাড়াও মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন খেলাধুলা ও গন জামায়াতের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সেদেশের সরকার। এদিকে মালয়েশিয়ায় মাওলানা মিজানুর রহমান আজাহারির আরো দুটি ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন থাকলেও প্রশাসনের অনুমতি না থাকায় বন্ধ করা হয়েছে।

বিদেশি অভিবাসীদের করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করা হচ্ছে
মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশীদের মধ্যে করোনা আতংক থাকলেও সেদেশের সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে। ইতিমধ্যেই মালয়েশিয়ার সরকারি হাসপাতাল গুলোর করোনা আক্রান্তের চিকিৎসা সেবা প্রদান করার তথ্য প্রকাশ করেছে। শনিবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন সাংবাদিকদের জানান, করোনার প্রভাবে মালয়েশিয়ার টুরিস্ট সেক্টরে দুই মাসে মালয় রিংগিত ৩.৩৭ বিলিয়ন ক্ষতি হয়েছে।