আলোচিত ইসলামী বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী তার ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, বাংলাদেশে আমার গড়া কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। কিন্তু ইদানীং দেখতে পাচ্ছি অনেকে আমার নামে প্রতিষ্ঠান বানিয়ে সেটাতে সাহায্যের জন্য প্রবাসীদের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চাইছেন। আসলে, কারো নাম ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠান করতে চাইলে আগে তার কাছ থেকে অফিসিয়ালি পারমিশন নিতে হয়।
আমার নামে কোনো প্রতিষ্ঠান হলে, স্বাভাবিকভাবেই সেটার যাবতীয় দায়ভার আমার ওপর বর্তায়। আর আমি আমার নাম দিয়ে এ রকম কোনো প্রতিষ্ঠান করার অনুমতি কাউকে দেইনি। কে কোন উদ্দেশ্য নিয়ে এগুলো করছেন সেটাও আমরা জানি না এবং জানার সুযোগও নেই। আমি যদি কখনো প্রাতিষ্ঠানিক কাজে হাত দেই, তখন সেটা আমিই সবাইকে জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবেই করবো ইনশাআল্লাহ।
তাই, আমার নামে প্রতিষ্ঠান করা, আমাকে কোনো প্রতিষ্ঠানের এডভাইজরি বোর্ডে রাখা এবং আমার নাম দিয়ে যে কোনো ধরনের আর্থিক অনুদান সংগ্রহ করা ও চাঁদা তোলা থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
এসব ব্যাপারে আমাদের শক্ত অবস্থানের কারণ হলো- এ জাতীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে প্রায়শই নানা ধরনের অনিয়ম, অর্থ কেলেঙ্কারি এবং চাইল্ড এবিউজের মতো ঘটনাও শোনা যায়। যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো আমার নিয়ন্ত্রণাধীন নয় বা আমি এগুলোর দেখভাল করছি না। তাই, আমি এগুলো থেকে সম্পূর্ণভাবে দায়িত্বমুক্ত। এগুলো আমার ভেবে কেউ প্রতারিত হবেন না।
আর স্বাভাবিকভাবে আপনাদের নিয়মিত দানের অংশ হিসাবে যে কোনো ভালো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কিংবা মসজিদ উন্নয়নে অথবা এতিমখানায় মুক্তহস্তে দান করুন। এতে কারো কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়। ‘আল্লাহর রাস্তায় দানের উপমা হচ্ছে এমন একটি শস্যবীজের মতো, যাতে উৎপন্ন হয় সাতটি শীষ আর প্রতিটি শীষে থাকে শত শস্যদানা। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বহুগুণ প্রবৃদ্ধি দান করেন। আল্লাহ তায়ালা অত্যন্ত প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।’ [বাকারাহ: ২৬১]