শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলা বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে অভিযোগ: তদন্ত শেষে পদক্ষেপের আশ্বাস হাম-রুবেলা প্রতিরোধে বাংলাদেশে ২.১৯ কোটি টিকা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশকে সমর্থন ব্রাজিলের মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য চার প্রস্তাব পাঠক চাহিদায় সমৃদ্ধ হচ্ছে অনলাইন সাহিত্য খাত বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চীন-স্পেন যৌথ উদ্যোগ ইন্টারনেট সম্মেলনে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অগ্রগতির রূপরেখা বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে পরিবেশ মন্ত্রীর মতবিনিময় স্মার্ট বাংলাদেশের পথে ব্রডব্যান্ডই প্রধান শক্তি-ব্রডব্যান্ড এক্সপো ২০২৬

ব্রিটিশ রাজপরিবারে আলোচিত প্রেম ও বিয়ে

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২০

জার্মানবাংলা অনলাইন : প্রেম ও বিয়ের ঘটনায় একাধিকবার বিব্রত হতে হয়েছে ব্রিটিশ রাজপরিবারকে৷ ত্রিভুজ প্রেমের নানা সমীকরণে ব্রিটিশ পরিবারের মধ্যে ঘটেছে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও। ব্রিটিশ রাজপরিবারের আলোচিত প্রেম ও বিয়ে নিয়ে আজকের এ আয়োজন।

চার্লস ও ক্যামিলা: বিয়ের ১২ বছর পর ১৯৯২ সালে লেডি ডায়ানার সাথে বিচ্ছেদ হয় যুবরাজ চার্লসের৷ মনোমালিন্য ছাড়াও এই বিচ্ছেদের পেছনে অন্যতম কারণ ছিল চার্লসের প্রাক্তন প্রেমিকা ক্যামিলা পার্কার বোলস৷ রাজপরিবারের অনিচ্ছা সত্ত্বেও ২০০৫ সালে ক্যামিলাকে বিয়ে করেন চার্লস৷ এই বিয়েতে উপস্থিত ছিলেননা চার্লসের মা রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও তাঁর পিতা ফিলিপও৷

ডায়ানা ও দোদি: চার্লসের সাথে বিবাহিত থাকাকালীন এবং বিচ্ছেদের পরেও একাধিক পুরুষের সাথে জুড়তে থাকে ডায়ানার নাম৷ এরমধ্যে সবচেয়ে আলোচিত মিশরের চলচ্চিত্র প্রযোজক দোদি ফায়েদের সাথে তাঁর সম্পর্ক৷ ১৯৯৭ সালে প্যারিসের যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ডায়ানা সেই গাড়িতে তাঁর সাথে ছিলেন ফায়েদও৷ ডায়ানার জীবনযাপন বিষয়ে ব্রিটিশ রাজপরিবারের অসন্তোষ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রায়ই আলোচিত হয়েছে৷

রাজকুমারী অ্যান: চার্লসের ছোট বোন রাজকুমারী অ্যানের সাথেও জড়িয়ে ছিল নানা পুরুষের নাম, যার মধ্যে অন্যতম ক্যামিলার সাবেক স্বামী অ্যান্ড্রু পার্কার বোলসও৷ এছাড়া, অ্যানের স্বামী মার্ক ফিলিপসের নামও জড়ায় নানা কেচ্ছার সাথে৷ শুধু তাই নয়, অ্যান-মার্ক বিচ্ছেদের ফলে সংবাদমাধ্যমে আলোচিত হয় ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিচ্ছেদ-বিরোধিতা কমার প্রবণতা৷

মার্গারেট ও পিটার টাউনসেন্ড: রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের ছোট বোন রাজকুমারী মার্গারেট৷ মার্গারেট প্রথম শিরোনামে আসেন পিটার টাউনসেন্ডের সাথে তাঁর প্রেমের কারণে৷ সেই সময় বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে এমন কারো সাথে রাজপরিবারের সদস্যের বিয়ে হওয়া ছিল অসম্ভব৷ পরিবারের চাপে টাউনসেন্ডকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন মার্গারেট, কিন্তু পরবর্তীতে চিত্রগ্রাহক অ্যান্টনি আর্মস্ট্রং-জোনসের সাথে তাঁর বিয়েও সৃষ্টি করে বহু বিতর্ক৷

অষ্টম এডোয়ার্ড ও ওয়ালিস সিম্পসন: মার্গারেটেরও আগে মার্কিন নাগরিক ও বিবাহ-বিচ্ছেদপ্রাপ্ত ওয়ালিস সিম্পসনকে বিয়ে করার জন্য রাজকর্তব্য থেকে সরে আসেন অষ্টম এডোয়ার্ড৷ সেই সময় রাজার আসনে বসতে চলা এডোয়ার্ডের এই পদক্ষেপ আলোড়ন তোলে৷ এর ফলে, তাঁর ছোট ভাই ষষ্ঠ জর্জ রাজা হন৷ এডোয়ার্ড-ওয়ালিসের বিবাহ এখনও রাজপরিবারের অন্যতম বিতর্কিত ঘটনা হিসাবে আলোচিত হয়৷

অ্যান্ড্রু: চার্লসের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুরও পিছু ছাড়েনি বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ঘটনা৷ যেমন মার্কিন অভিনেত্রী কু স্টার্কের সাথে তার সম্পর্ক৷ শুধু তাই নয়, পরবর্তীতে সারা ফার্গুসনকে বিয়ে করলেও কু স্টার্কের কন্যার ‘গডফাদার’ হন অ্যান্ড্রু, যা নতুন করে খবরের শিরোনামে নিয়ে আসে তাকে৷

হ্যারি ও মেগা : মার্কিন অভিনেত্রী মেগান মার্কেলের সাথে রাজপুত্র হ্যারির বিয়ের পর থেকেই চলছিল নানা রকমের জল্পনা৷ সম্প্রতি একটি বিবৃতি দিয়ে তাঁরা জানান যে রাজকর্তব্য থেকে সরে আসতে চলেছেন তাঁরা৷ রাজপরিবারের সদস্য হিসাবে নিজেদের দায়িত্ব ছেড়ে ব্যক্তিগত জীবনে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে চান বলে জানান এই জুটি৷ ইতিমধ্যেই তাঁদের এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাকিংহাম প্যালেস৷

মেগান মার্কেল: ২০১৭ সালের অক্টোবরে যখন বিভিন্ন গণমাধ্যমে মেগানের নাম আসতে শুরু করে, তখন দেশের মানুষের তাঁর সম্পর্কে তেমন কোনো ধারণাই ছিল না৷ ১৯৮১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেসে জন্ম নেয়া মেগান জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘স্যুটস’-এ এক আইনজীবীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন৷ বিভিন্ন গণমাধ্যমে মেগানকে নিয়ে প্রচারিত সংবাদে ‘প্রচ্ছন্ন জাতিবিদ্বেষ’ এবং ‘বর্ণবাদ’ উসকে দেয়া হয়েছে বলেও সেসময় প্রতিবাদ জানানো হয় হ্যারির কার্যালয় থেকে৷

দ্বিতীয় বিয়ে: মেগানের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ গণমাধ্যমের সমালোচনার অন্যতম ছিল তাঁর প্রথম বিয়ে৷ ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত চলচ্চিত্র প্রযোজক ট্রেভর এনগেলসনের স্ত্রী ছিলেন মেগান৷ সেসময় নিজের একটি লাইফস্টাইল ব্লগও চালাতেন মেগান৷ তবে হ্যারির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক জানাজানি হওয়ার পর তিনি সেটি বন্ধ করে দেন৷

রানির আশীর্বাদ: হ্যারি-মেগানের বিয়ের ঘোষণার পর বাকিংহাম প্যালেস থেকে জানানো হয়, ‘‘রানি ও ডিউক অব এডিনবরা খুবই আনন্দিত এবং এই যুগলের সুখ ও শান্তি কামনা করেছেন৷’’ সিংহাসনের ভবিষ্যৎ দাবিদার রাজপরিবারের সব সদস্যের মতোই হ্যারি-মেগানের বিয়েতেই প্রয়োজন ছিল রানির অনুমোদনের৷ তবে এই বিয়েতে রানির আশীর্বাদ রাজপরিবারের চিন্তাভাবনায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়৷ সূত্র : ঠিকানা

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD