শিরোনাম :
টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পাঁচ বছরে ২৪ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্য পেনাল্টি মিসের হতাশা ভুলে ইতিহাস গড়লেন মেসি, অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে অভিযোগ: ঢাবির তিন শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, আরও দুজনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে সুরের মিলনমেলা, দুই দিনের আয়োজন শেষ করল সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ ফ্রান্সে রেকর্ড দাবদাহে দুই দিনে প্রাণ গেল ১৮ জনের নতুন এল নিনোর প্রভাবে বিপর্যয়ের আশঙ্কা, উষ্ণ হতে পারে ২০২৭ সাল সাড়ে তিন মাস পর হরমুজ প্রণালি পেরোল ‘বাংলার জয়যাত্রা’ বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয়, নকআউট নিশ্চিত করল নরওয়ে

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ স্মরণে একক বক্তৃতানুষ্ঠান

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৯ জুন, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :বাংলা একাডেমি কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ স্মরণে একক বক্তৃতানুষ্ঠানের আয়োজন করে। স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন একাডেমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ : রাষ্ট্র ও রাজনীতির অন্তঃস্বর শীর্ষক একক বক্তৃতা প্রদান করেন কথাসাহিত্যিক ইমতিয়ার শামীম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

স্বাগত ভাষণে মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ তাঁর সাহিত্যকর্মে ধর্মের নামে ভন্ডামির বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন যা আজকের দিনেও সমান প্রাসঙ্গিক।

একক বক্তা ইমতিয়ার শামীম বলেন, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ইতিহাসের এক ক্রান্তিকালে সাহিত্যসাধনা শুরু করেছেন। শিক্ষাজীবনে বামপন্হি চিন্তার সমকালীন সমাজে তাঁর স্বতন্ত্র মানস-নির্মাণে ভূমিকা রাখে। তিনি নিজে অগ্রসর হয়েও তাঁর সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য নিজের রচনাকে সচেতনভাবে পিছিয়ে রাখতেও দ্বিধাহীন ছিলেন অর্থাৎ লেখক হিসেবে গণমানুষের সমানুপাতিক অগ্রযাত্রায় বিশ্বাসী ছিলেন তিনি।
তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িকতা, দেশভাগ ইত্যাদির নেতিমূলক অভিঘাত তাঁর সাহিত্যে উঠে এসেছে অনন্য মাত্রায়। একই সঙ্গে তাঁর রাষ্ট্রচিন্তার বিষয়টিও লালসালু থেকে কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসের পরম্পরায় বিস্তৃত। কাঁদো নদী কাঁদো-তে তিনি নদীর রূপকে ভুখন্ডের অব্যক্ত কান্নাকে ভাষারূপ দিয়েছেন। তেমনি তাঁর ইংরেজি উপন্যাস আগলি এশিয়ান্স-এ উঠে এসেছে শ্রেণিচিন্তা এবং সামজ্যবাদ-কবলিত সময়ে এক বিপন্ন জনপদের গল্প। একক বক্তা বলেন, তলস্তয়কে যেমন ‘রুশ সমাজের দর্পণ’ বলা হয় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্কেও আমরা বাঙালি সমাজের প্রেক্ষিতে তেমন আসনেই অধিষ্ঠিত করতে পারি অনায়াসে।

সভাপতির ভাষণে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচনার পরিমাণ সংখ্যায় বেশি না হলেও প্রত্যেকটিই গুরুত্বপূর্ণ এবং দিক-উন্মোচনকারী। উপন্যাস, গল্প, নাটক- সবক্ষেত্রেই তিনি বিশিষ্টতার দাবিদার। ‘একটি তুলসীগাছের কাহিনী’র মতো গল্প সমগ্র বাংলা সাহিত্যেই বিরল। তিনি বলেন, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ যত বড় মানের সাহিত্যিক সে অনুযায়ী প্রাপ্য স্বীকৃতি তিনি এখনও পাননি। তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিশ্চয়ই তাঁকে তাঁর যথাযোগ্য মর্যাদা প্রদান করবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD