শিরোনাম :
হেব্রনে চতুর্থ দিনে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান: বাস্তুচ্যুত ২৬০০ ছাড়াল, গ্রেপ্তার ৭০ পারস্পরিক সুবিধা ও আস্থার ভিত্তিতে বহুমুখী সহযোগিতা গভীর করছে চীন ও বেলজিয়াম উত্তেজনার মুখে গভীর রাতে কড়া নিরাপত্তায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পসারীর দাফন সম্পন্ন ডিসেম্বরে শুরু হচ্ছে বিসিবির ‘ডি থ্রি ট্রফি’: ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্টে শীর্ষে শরিফুল বিকল্প শিরোনাম ২: মধ্যরাতেই ‘প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে’ রূপ নিতে পারে ‘অর্ণব’ : সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সংকেত ৯ মাসে ১০৯ শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার: আইনি দুর্বলতায় থমকে যাচ্ছে মাদ্রাসার বিচারপ্রক্রিয়া চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবারুণ অরুণ প্রভায় জাপানে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব: শামা ওবায়েদ বিহারের সিওয়ানে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুই শিশুসহ নিহত বেড়ে ৫

এক পা দিয়ে লিখে জিপিএ ৩.৫৬

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৬ মে, ২০১৯

এইচ এম আলমগীর কবির, সিরাজগঞ্জ:দুটি হাত ও একটি পা নেই, এক পা দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে ৩ কি:মি রাস্তা পাড়ি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে লেখাপড়া। সেই প্রতিবন্ধী ফজলু এবার এসএসসি পরিক্ষায় ৩.৫৬ পয়েন্ট পাশ করেছে। জন্মগতভাবে দুটি হাত ও একটি পা নেই সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ফজলুর রহমানের। প্রবল ইচ্ছা শক্তি দিয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে হার মানিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সে পিএসসিতে ২.১৭ ও জেএসসিতে ৩.৭৫ নাম্বার পায়।বে

লকুচি উপজেলার ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের মিটুয়ানী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ও চর গোপালপুর গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে।

ফজলুরের সাথে কথা বলতেই তার দুই চোখের পানিতে ভিজে যায়। বলেন আমি যখন স্কুলে যাই অনেক কষ্ট হয় প্রতিদিন যাওয়া আসা ৩ কি মি রাস্তা। ১ পায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে স্কুলে যাই। আর আমার বোন যেদিন স্কুলে যায় না সেদিন আর কেউ আমার বই নেয় না আমার স্কুলে যাওয়া হয় না। আবার বৃষ্টি হলে স্কুলে যেতে পারি না। আমার প্রায় সব কাজ মা করে দেন। তবে আমাকে যদি সবাই লেখাপড়া করার জন্য সাহায্য করে তাইলে আমি লেখাপড়া শেষ করে প্রতিবন্ধীদের জন্য কাজ করবো।

ফজলুর বাবা সাহেব আলী বলেন, প্রতিবন্ধী ছেলের রেজাল্ট শুনে মনটা ভরে গেছে। অভাব অনটনের সংসার যা রোজগার করি তা দিয়ে সংসার চালেই হিমশিম খাই। ফজলুর লেখাপড়া ভাল করলেও আমার টাকা না থাকা ওকে অনেক বই কিনে দিতে পারি না। ফজলুরের প্রতিবন্ধী কার্ড আছে ওখান থেকে কিছু হলেও লেখাপড়া করার কাজে লাগে।

মা সারা খাতুন প্রতিবন্ধী ছেলের বর্ননা দিয়ে বলেন, ২০০০ সালের ফজলু বিকলাঙ্গ অবস্থায় জন্ম নেয়। আমরা স্বামী-স্ত্রী কেউ লেখাপড়া জানি না। ছোট মেয়ে আসমা ফজলুকে লেখাপড়া করায়। ফজলুর দুহাত ও এক পা না থাকলেও কিছু কিছু কাজ নিজেই করতে পারে বলে জানান তিনি।

মিটুয়ানী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) আইয়ুব আলী জানান, ফজলুর রেজাল্ট পেয়ে আমরাও খুশি। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে ফজলু এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। সে লেখাপড়ায় ভালো, স্মরণশক্তিও প্রখর। তারা দুই ভাইবোন আমাদের স্কুলেই লেখাপড়া করে

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD