দীর্ঘ এক বছরের অপেক্ষার পর অন্তরের উৎসব দূর্গা পূজা বা দুর্গোৎসব শুরু হয়েছে। প্রতি বছরই দূর্গা মায়ের মর্ত্যধামে ফেরার অনন্দে মেতে ওঠে এই ধরিত্রী বিশেষ করে বাঙালিদের মধ্যে এই পুজোর উন্মাদনা একটু বেশিই থাকে।
দূর্গা পূজা মানেই ঢাকের আওয়াজ, প্যান্ডেলের হৈহুল্লোড়, নতুন জামা-কাপড় ও বন্ধু-বান্ধবদের সাথে জমিয়ে আড্ডা এবং এরই সঙ্গে শুরু হয় একে-অপরকে শুভ কামনা ও ভালোবাসায় ভরা দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা।

প্রাবাসী বাঙালি সনাতন ধর্মালম্বীদের মধ্যেও
শারদীয় দূর্গা উৎসবের আয়োজন বেশ লক্ষ্য করার মতো। প্রাবাসী বাংলাদেশি সনাতন ধর্মালম্বীদের সংগঠন ‘জার্মান-বাংলা সনাতন কালচারাল এসোসিয়েশন।’
প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক মিলন মেলায় এই সংগঠনটি অনেক দিন ধরে কাজ করে আসছে। সংগঠনের মাধ্যমে প্রবাসীরা জার্মানি তথা ইউরোপে যে সেতু বন্ধন তৈরি করেছে তা সত্যিই প্রসংসানীয়।

এই সংগঠনের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানাধি পালন করে থাকে। সংগঠনের সভাপতি স্বজন কুমার চক্রবর্তী, সহ-সভাপতি মাখন চন্দ্র সরকার,সাধারন সম্পাদক সুজলা সিংহা, কোষাধ্যক্ষ সুনিল ঘোষ ও প্রচার সম্পাদক অখিল শর্মার প্রচেষ্টায় শারদীয় দুর্গোৎসবের ঐতিহ্য বাঙালি মননে প্রশংসিত হয়েছে। আনন্দে মেতে উঠেছে প্রবাসী সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। সার্বজনীন দূর্গাউৎবে এক মিলন মেলায় রুপান্তির হয় পূজা মন্দিরে।
জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে একটি দূর্গা মন্দির করা সুপরিকল্পনা করার ইচ্ছাপোশন করেছেন সংগঠনের সভাপতি স্বজন কুমার চক্রবর্তী।

প্রতিদিন সকাল ১১ টার সময় শুরু হয় পূজা। দুপুরে প্রসাধ বিতরণ সন্ধ্যায় আরতি এবং পরে সংস্কৃতি ও প্রসাধ বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিল্পী ছিলেন নিপুন বডুয়া , তবলায় অকিল শর্মা আর গিটারে ছিলো সৌরভ পাল সমিত।
১ অক্টবর থেকে শুরু হওয়া শারদীয় দূর্গা উৎসব চলে ৫ অক্টবর প্রতিমা বিসর্জ্জন পর্যন্ত।