জার্মানবাংলা অনলাইন : একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেটা নিয়ে আমরা গত বছরই একটি তদন্ত কমিশন গঠন করেছি। যার সদস্য হচ্ছেন উচ্চ আদালতের আপীল বিভাগের সাবেক তিনজন বিচারপতি। তারা হলেন, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, বিচারপতি শামসুল হুদা ও বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম। তদন্ত কমিশনের কাজ ছিল একটি রিপোর্ট তৈরি করা। যে কমিশন তদন্তের স্বার্থে তুরিন আফরোজসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে কথা বলে সাবেক ৩ বিচারপতি যে সিদ্ধান্তে উপনিত হন তা হচ্ছে:
ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকার যে অভিযোগ করা হয় তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তুরিন আফরোজ এমন কোন কাজ করেননি ।

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির
তুরিন আফরোজ একজন প্রসিকিউটর হিসেবে আসামির সঙ্গে দেখা করতে পারেন কি পারেন না এই প্রশ্নের বিষয়ে তদন্ত রিপোর্টের ব্যাখ্যা হলো- ১৯৭৩ সালের আমাদের যে ট্রাইব্যুনালের আইন, সে আইন অনুযায়ী একজন প্রসিকিউটরের আসামির সঙ্গে দেখা করবার অধিকার রয়েছে। এটি আইনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ এই দুটি বিষয়ে তারা তুরিন আফরোজকে নির্দোষ পেয়েছেন।
তবে তারা একই সঙ্গে একটি পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন যে, তুরিন আফরোজ একটি ভুল করেছেন যে, তিনি যদি চীফ প্রসিকিউটরের সম্মতি নিয়ে যেতেন তাহলে ভালো হতো। আমাদের কমিশন পর্যবেক্ষণে বলেছেন যে, ভবিষ্যতে তিনি এই ধরনের কাজে গেলে যেন চীফ প্রসিকিউটরের সম্মতি নিয়ে দেখা করেন।
আইন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রসঙ্গে শাহরিয়ার কবির বলেন, আইন মন্ত্রণালয় যে তদন্ত করেছেন সেই বিষয়ে আমরা কিছু বলতে চাই না, সেটি তাদের ব্যাপার। তবে আমাদের তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী উচ্চ আদালতের সাবেক তিনজন বিচারপতি তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয়ে কোন ভিত্তি পাননি। তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন।