শিরোনাম :
জার্মানিতে একদিনে পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা: দাবানল, কৃষি সংকট, জ্বালানির দাম, গোয়েন্দা সংস্কার ও ফ্রাঙ্কফুর্টে ধর্মঘট পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ জাহাজ শিল্প গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের সফরে ক্ষুব্ধ টোকিও, কড়া প্রতিবাদ জাপানের সবুজ উন্নয়নের পথে চীন, প্রকৃতি সুরক্ষায় জোর দিচ্ছেন সি চিন পিং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই দেশে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেউবা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক ছাড়বে সব মার্কিন সেনা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টায় বন্ধ হবে শপিংমল ও দোকানপাট প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের তালিকা করবে সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ লঘুচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, বৃষ্টির পূর্বাভাস অব্যাহত

সরকার এবার হালাল মাংস রপ্তানি করবে বিশ্ব বাজারে

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৮ মে, ২০১৮
  • ফাতেমা রহমান রুমা

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়া ইউনিয়নভুক্ত সদস্য রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশের হালাল মাংসের বড় বাজার। কিন্তু কিছু শর্তের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়া ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোয় হালাল মাংস রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ রয়েছে, পশুপালন ও প্রক্রিয়া যে এলাকায় হবে ওই নির্দিষ্ট এলাকা রোগমুক্ত ঘোষণা করতে হয়। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এটি করার পর ওয়ার্ল্ড অ্যানিমেল হেলথ অর্গানাইজেশন থেকেও ছাড়পত্র নেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যদিও
এত দিন বেসরকারিভাবে সীমিত পরিসরে হালাল মাংস রপ্তানি হয়ে আসছিল। এবার সরকারি উদ্যোগে ইউরোপ ও আমেরিকায় হালাল মাংস রপ্তানি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, বিদেশের আদলে রান্না করা কৌটাজাত মাংসও দেশের বাজারে বিক্রির চিন্তা করছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। সরকারের এ ধরনের উন্নয়ন চিন্তায় বিদেশে হালাল মাংসের বাজার সম্প্রসারণের পথ উন্মোচিত হলো।
এদিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ জানান, মাংস উৎপাদনে বাংলাদেশ সাম্প্রতিক বছরগুলোয় অসামান্য উন্নতি করেছে। এ পর্যন্ত দেশের পোলট্রিশিল্পে ৪০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। আগামী ৫ বছরে এ শিল্পে বিনিয়োগ দাঁড়াবে ৬০ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশের মাংসের বার্ষিক চাহিদা ৭০ লাখ টন, যার পুরোটাই এখন দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। তাই সরকারিভাবে বিদেশে মাংস রপ্তানির চিন্তাও করা হচ্ছে। রপ্তানিজাত মাংস উৎপাদন ও প্রক্রিয়ার জন্য ইপিজেডের মতো একটি বিশেষ অঞ্চল করা যায় কিনা, তা-ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে সারাবিশ্বে হালাল মাংসের বাজার চার ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের (এক লাখ কোটি ডলারে এক ট্রিলিয়ন)।
মন্ত্রীর কথায় জানা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়া ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর ক্রেতারা এটা বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশে উৎপাদিত মাংস স্বাদে অতুলনীয়। তাই তাদের আগ্রহ বেশি। সরকারের এ ধরনের ব্যবসা বান্ধব চিন্তা ও বাস্তবায়নে দেশের পশু খামারিরা অর্থনৈতিক মুক্তির পথে আসতে পারবে বলে অভিজ্ঞমহল মনে করছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD