শিরোনাম :
জার্মানিতে একদিনে পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা: দাবানল, কৃষি সংকট, জ্বালানির দাম, গোয়েন্দা সংস্কার ও ফ্রাঙ্কফুর্টে ধর্মঘট পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ জাহাজ শিল্প গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের সফরে ক্ষুব্ধ টোকিও, কড়া প্রতিবাদ জাপানের সবুজ উন্নয়নের পথে চীন, প্রকৃতি সুরক্ষায় জোর দিচ্ছেন সি চিন পিং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই দেশে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেউবা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক ছাড়বে সব মার্কিন সেনা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টায় বন্ধ হবে শপিংমল ও দোকানপাট প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের তালিকা করবে সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ লঘুচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, বৃষ্টির পূর্বাভাস অব্যাহত

রাজনীতির অনিশ্চয়তা কাটেনি, আস্থা ফেরেনি অর্থনীতিতে

সম্পাদকীয়:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫

রাজনীতির অনিশ্চয়তা কাটেনি, আস্থা ফেরেনি অর্থনীতিতে 

– সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ

দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতা আসেনি। সংস্কারের মূল বিষয়গুলোতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনো ঐক্যের লক্ষণ নেই। সংবিধান, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন এবং আর্থিক খাত সংস্কার নিয়ে একাধিক বৈঠক হলেও কোনো গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো যায়নি। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা।

অর্থনীতিতেও স্বস্তির দেখা মিলছে না। মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও খাদ্যপণ্যের বাজার এখনো চড়া। ব্যাংক খাত রেকর্ড পরিমাণ খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, তারল্যের অভাব নেই, ঘাটতি আছে আস্থার। বাজারে দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার নিট উদ্বৃত্ত তারল্য থাকলেও তা বিনিয়োগে ব্যবহার হচ্ছে না। এর কারণ, বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ না থাকা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও উচ্চ সুদের চাপ।

বিশেষ করে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রিত শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর দুরবস্থার কারণে ব্যাংক ব্যবস্থার প্রতি অবিশ্বাস আরও বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা ঝুঁকি নিতে চাইছেন না, ফলে নতুন বিনিয়োগ নেই, কর্মসংস্থান বাড়ছে না। গার্মেন্টস, ওষুধসহ বহু শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। কয়েক লাখ শ্রমিক বেকার হয়েছেন। এতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তবে কিছু ইতিবাচক দিকও আছে। রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক ঋণের কারণে ডলারের চাপ কিছুটা কমেছে, টাকার মান কিছুটা বেড়েছে। তবে এই ধারা টেকসই হবে কি না, তা নির্ভর করছে আমদানি ও বিনিয়োগের গতিপথের ওপর।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনের মতে, এই স্থবিরতা কাটাতে হলে প্রয়োজন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। নির্বাচনের মাধ্যমে যদি একটি গ্রহণযোগ্য সরকার গঠন হয়, তবে দেশ আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD