মালয়েশিয়ায় করোনাভাইরাসের সাবধানতার কারনে মালোশিয়ান সরকার কর্তৃক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর সাহেবের আগামী ১৫ মার্চ তারিখের দুইটি তাফসির মাহফিল স্থগিত করা হয়েছে।
মালয়েশিয়া প্রবাসীদের চাহিদা ও আজহারীর প্রতি প্রবল ভালোবাসা ও আজহারী সাহেবের ইসলামিক বয়ানের তুমুল জনপ্রিয়তার কারণেই তিনি নিজের কাজে ব্যস্ত থাকা সত্বেও এসব মাহফিলে যোগ দিতেন।
আগামী ১৫ ই মার্চ হযরত মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর প্রথম মাহফিল টি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। মাসজিদ জামেক সুলতান আব্দুল আজিজ প্রাঙ্গণে এবং ২য় তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের কাজাং বুকিত আংকাত জামে মসজিদে বাদ মাগরিব।
মালয়শিয়ায় মিজানুর রহমান আজহারীর মাহফিল সম্পর্কে জানতে চাইলে হযরত কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতী,আজহারী সাহেবের বন্ধু,ডক্টর মাওলানা ফয়জুল হক বলেন,করোনা ভাইরাসের কারনে মালয়শিয়ার সরকার কর্তৃক অতিরিক্ত সতর্কতা মুলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে স্থগিত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে মাহফিলের তারিখ নির্ধারিত হলে সবাইকে জানানো হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে সুস্থ ও সুন্দর জীবন দান করুন।

উল্লেখ্য যে গত রবিবার ৮ই মার্চ কুয়ালালামপুরের উইজমা কনভেনশন হলে মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসীর মাহফিল অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভবনের সামনে সকাল থেকে প্রবাসীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই টোকেন পেয়েও প্রবেশ করতে পারেন নি। স্থান সংকুলান না হওয়ার কারণে শত শত প্রবাসী ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তাদেরকে উদ্দেশ্য করে আজহারী বলেছেন আগামী মালয়েশিয়ায় মাহফিল আরও করবেন যাতে কেউ নিরাশ না হতে পারে।
সম্প্রতি প্রবাসী ও তরুন তরূণীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী। বাংলাদেশে তাফসীর মাহফিলের মৌসুমে একের পর এক মাহফিলে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিগত কয়েক বছরের তুলনায় ব্যাপক সাড়া ফেলে দেন সারাদেশে। লক্ষ লক্ষ মুসলিম জনতার উপস্থিতি একরকম হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল সারাদেশে। প্রতিটি মাহফিলে তিল ধারনের জায়গা টুকুও ফাঁকা ছিলনা। তুমুল জনপ্রিয়তার কারণে নির্দিষ্ট একটি সমাজের হিংসার
কারণে দেশ ছেড়ে মালয়েশিয়ায় ফেরত যেতে বাধ্য হন তিনি। মালয়েশিয়া যাওয়ার পর বিমানবন্দরে প্রবাসীদের সংবর্ধনায় তিনি সিক্ত হয়েছেন। মালয়েশিয়ার যাওয়ার পরও অন্যের গাড়ি নিয়ে ছবি প্রকাশ করার কারণে আবারও সমালোচনার শিকার হন তিনি। মালয়েশিয়ায় নিজের পিএইচডি গবেষণার পাশাপাশি একের পর মাহফিলে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন। প্রবাসীদের বেশিরভাগ অংশই তাকে বক্তা হিসেবে খুবই পছন্দ করেন সেটা গত সপ্তাহের মাহফিল অনুষ্ঠানেই লক্ষ্য করা গেছে।