শিরোনাম :
জাতীয় পর্যায়ে ১০০ জন পাবেন গুণী শিক্ষক সম্মাননা সরকারি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ সাইবার সুরক্ষা আইন নিপীড়নমূলক হতে দেওয়া হবে না কৃষকরাই দেশ গড়ার যোদ্ধা: রাষ্ট্রপতি নারীদের জন্য আরও ১০০ পিংক বাস চালুর উদ্যোগ রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভাঙচুর-লুট: আরও ছয় আসামি কারাগারে দখল-চাঁদাবাজি ঠেকাতে ব্যর্থতা সরকারের জন্য অশনিসংকেত: টিআইবি সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ডার্মস্টাট প্রিমিয়ার লিগের প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন ডার্মস্টাট ভাই-ব্রাদার্স জাতিসংঘ সফরে ১১ দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, গুরুত্ব পেয়েছে বাংলাদেশের স্বার্থ

মাদক নির্মূলে কঠোর মনোভাব প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৩১ মে, ২০১৮

জার্মান-বাংলা ডেস্ক: মাদক নির্মূলে চলমান অভিযানে নিজের কঠোর মনোভাবের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি যখন ধরি, ভালো করেই ধরি। কেউ ছাড় পাবে না। ভারত সফর শেষে বুধবার (৩০ মে) গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মাদকবিরোধী অভিযানে বন্দুকযুদ্ধের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিযান চালাতে গিয়ে বন্দুকের ব্যবহার হচ্ছে, আপনার এর আইনগত দিক থেকে বলবেন এটা ঠিক। কিন্তু মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে গেলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এটাকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার হলে বিচার হয়। নিরীহ মানুষ এর শিকার হলে আমরা ব্যবস্থা নেব।
এসময় সাংবাকিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যদি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটাই বড় করে দেখান, তাহলে বলেন অভিযান বন্ধ করে দেই। তাহলে সমাজ কিভাবে ভালো থাকবে! ছেলে মা-বাবাকে, ভাই ভাই-বোনকে হত্যা করছে- এর সবই মাদকের জন্য। আপনারা এগুলো নিয়ে পত্রপত্রিকায় লিখেছেন- মাদক সমাজে ব্যাধির মত। যখন অভিযান চলছে, এখন আবার আপনারা পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার বিশ্লেষণ শুরু করেছেন।
মাদকের গডফাদাররা অভিযানের আওতায় আসবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, কে গডফাদার, কে ডন এটা আমরা বিচার করছি না। আমরা চাই মাদক নির্মূল হোক। দীর্ঘদিন গোয়েন্দা সংস্থা এনিয়ে কাজ করছে। আমরা হঠাৎ করে এই অভিযানে যাইনি।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের নজরদারির পর আমরা অভিযানে গেছি। যেই গডফাদার হোক, অভিযানের আওতায় আসবে। কে কার ভাই কার কী আমি দেখি না। আমি যখন ধরি, ভালো করেই ধরি- আপনারা জানেন। তাই কেউ ছাড় পাবে না।
এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত দুই নিকটতম প্রতিবেশী দেশ। আমি মনে করি, এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। শন্তিনিকেতনে স্থাপিত বাংলাদেশ ভবন উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD