জার্মান-বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর মধ্য দিয়ে নতুন যুগে প্রবেশ করল বাংলাদেশ। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এস্পেসএক্সের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের লাইভ টেলিকাস্টে শেখ হাসিনার ধারণকৃত ভিডিও সম্প্রচারিত হয়।
স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের এই দিনকে বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরবের একটি দিন অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ আমরাও স্যাটেলাইট ক্লাবের গর্বিত সদস্য হলাম। প্রবেশ করলাম এক নতুন যুগে। এখন মহাকাশে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন হবে।”
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের জাতির জনকের নামাঙ্কিত এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে। এই স্যাটেলাইটের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ফিলিপিন্স, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, তাজিকস্তান, কাজাকস্তান ও উজবেকিস্তানের অংশ বিশেষে সেবা প্রদান করা সম্ভব।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিতেন। মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণের পথে একধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।
শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। উৎক্ষেপণের পর এটি স্বাভাবিকভাবেই মহাকাশের দিকে ছুটে যায়। এটি কক্ষপথে পৌঁছাতে নির্ধারিত ৩৩ মিনিট সময় নেয়।
স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে সঙ্গে নিয়ে রওনা হয় জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটের দিকে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাত ২টা ৪৭ মিনিটে এ স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহটি নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছেছে।