শিরোনাম :
সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১৩ হাজারের বেশি বিদেশি আটক রাখাইনে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় নিহত ৩৩ চীনের নতুন ধরনের ব্যাটারি শিল্পের উন্নয়নে সাত বিভাগের যৌথ পরিকল্পনা বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে এআইআইবি বৈশ্বিক সংঘাত ও বৈষম্য মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান হান চেংয়ের কৃষি ও বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদারে নতুন উদ্যোগ চীন-যুক্তরাষ্ট্রের প্রথমবার কক্ষপথে স্টারশিপ, সমুদ্রে বিধ্বস্ত রকেট ভ্যাট রিটার্ন জমায় নতুন নিয়ম, প্রতি কর মেয়াদে ১৫ দিনের মধ্যে দাখিল বোয়িং কেনায় ‘গোপন এজেন্ডা নেই’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ জোরদারের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত আইরিন খানের

মধ্যপ্রাচ্যে জিম্মি নারী শ্রমিকদের উদ্ধার করুন

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১ নভেম্বর, ২০১৯

ফারুক আস্তানা।।
দারিদ্র্যতা ঘোচাতে বাঙালি নারী গৃহশ্রমিক হয়ে কাজ করতে গিয়েছে মিডলইস্টের পবিত্র ভূমিতে। কিন্তু সেখানে গিয়ে বাংলাদেশি মুসলিম নারীরা পবিত্র ও নিরাপদ থাকছে না।

তারা সেখানে ভিন্ন ধরনের অমানুষিক, অমানবিক নিষ্ঠুর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছেন। তাদের শারীরিক মানসিক ও যৌন নিপিড়ন এবং ধর্ষণ করা হচ্ছে।

এই যখন আবস্থা তখন মিডলইস্টের প্রতিটা ঘর থেকে খুঁজে খুঁজে বাংলাদেশি নারীদের উদ্ধার করে দেশে ফেরত নিয়ে আশা সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

এটা সরকার ও দেশে জন্যে সম্মানের বিষয়। মুসলিম হিসেবে জাতি নারীদের ইজ্জত রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাষ্ট্র কিছুতেই তার নাগরিকদের ঝুঁকির মুখে রেখে অনিরাপদে রেখে নিরাপদ বোধ করতে পারে না।

দুনিয়াতে বাংলাদেশই একমাত্র অদ্ভুত রাষ্ট্র! যে তাঁর নাগরিকদের সুবিধা অসুবিধার খোঁজ খবর রাখার দরকার মনে করছে না। গুরুত্ব দিতে চায় না।

ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনসহ যেসব দেশ মিডলইস্টে তাদের নারীদের গৃহ শ্রমিক হিসেবে পাঠাতো। নারীদের একের পর এক শারীরিক মানসিক নির্যাতন, ধর্ষণের অভিযোগ উঠার পর কতৃপক্ষ সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার ও ক্ষতিপুরণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায়। নিরাপত্তার কথা ভেবে তাদের শ্রমিক পাঠানো একেবারে বন্ধ করে দিয়েছে।

বর্তমানে মিডলইস্টের দেশ গুলোতে বাংলাদেশের নারী শ্রমিকরা অনিরাপদ পরিস্থিতি মধ্যেও কাজ করছে। এবং অনেক জিম্মি হয়ে আছে।

এদের কথা বাংলাদেশ সরকারকে ভাবতে হবে কি ভাবে জিম্মি দশা থেকে নারীদের মুক্ত করে আনা যায়।

দেশে নারী’রা জিম্মি হয়ে থাকবে। তাদের ধর্ষণ করা হবে। তার বিনিময়ে টাকা পয়সা আয় হবে, সেই টাকা দেশের অর্থনীতি বড় হবে। যদি কেউ এমন ভাবে তাহলে এটা হবে মধ্য যুগিয়ো চিন্তা ধারা। এবং উদাসীন এই ধরনের দায়সারা চিন্তা থেকে কতৃপক্ষকে বের হয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশের আলেম, ওলামা, হেফাজতে ইসলামসহ ধর্মীয় দল ও গোষ্ঠী গুলোকে “সৌদি আরবে নারীদের শারীরিক মানসিক নির্যাতন ও পরিবারের পুরুষ সদস্যদের কতৃক ধর্ষণ” বিষয়ে তাদের নিজ নিজ দলও গোষ্ঠীর বক্তব্য ও আবস্থান জাতির সামনে পরিস্কার করতে হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD