শিরোনাম :
হেব্রনে চতুর্থ দিনে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান: বাস্তুচ্যুত ২৬০০ ছাড়াল, গ্রেপ্তার ৭০ পারস্পরিক সুবিধা ও আস্থার ভিত্তিতে বহুমুখী সহযোগিতা গভীর করছে চীন ও বেলজিয়াম উত্তেজনার মুখে গভীর রাতে কড়া নিরাপত্তায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পসারীর দাফন সম্পন্ন ডিসেম্বরে শুরু হচ্ছে বিসিবির ‘ডি থ্রি ট্রফি’: ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্টে শীর্ষে শরিফুল বিকল্প শিরোনাম ২: মধ্যরাতেই ‘প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে’ রূপ নিতে পারে ‘অর্ণব’ : সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সংকেত ৯ মাসে ১০৯ শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার: আইনি দুর্বলতায় থমকে যাচ্ছে মাদ্রাসার বিচারপ্রক্রিয়া চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবারুণ অরুণ প্রভায় জাপানে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব: শামা ওবায়েদ বিহারের সিওয়ানে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুই শিশুসহ নিহত বেড়ে ৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১৬

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৯

জার্মানবাংলা অনলাইন : বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় মুখোমুখি দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আজ ১২ নভেম্বর, মঙ্গলবার, বাংলাদেশ স্থানীয় সময় ভোররাত পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার মন্দভাগ রেলওয়ে স্টেশনের ক্রসিংয়ে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নীশিতার মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন।

উদয়ন এক্সপ্রেস সিলেট থেকে চট্টগ্রাম ও তূর্ণা নীশিতা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখে ছিল। মন্দভাগ রেল স্টেশনের কাছে ট্রেন দুটির মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে দুটি ট্রেনেরই বেশ কয়েকটি করে বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬ জন নিহত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাস্থলেই আট জনের মৃত্যু হয়। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে মারা যান আরও আট জন। দুর্ঘটনার পর থেকে চট্টগ্রামের সঙ্গে সিলেট ও ঢাকার ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ৮ ঘণ্টা পরে ট্রেন চলাচাল স্বাভাবিক হয়।

যে কারণে এ দুর্ঘটনা
সিগনাল অমান্য করার কারণেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে আন্তনগর তুর্ণা নিশীথা ও আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু কথা নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খান। এ ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন দুই ট্রেনের শতাধিক যাত্রী।

মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার জাকির হোসেন চৌধুরী জানান, উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটি এক নম্বর লাইনে ঢুকছিল। তুর্ণা নিশীথাকে আউটারে থাকার সিগনাল দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সিগনাল অমান্য করে মূল লাইনে ঢুকে পড়ার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আমার কোনো দোষ নেই।

জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খানও দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে তুর্ণা নিশীথার চালকের সিগনাল অমান্য করার কথা জানিয়েছেন। পুরো ঘটনা তদন্তে ইতোমধ্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিতু মরিয়মকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে জেলা প্রশাসন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD