শিরোনাম :
ফ্রাঙ্কফুর্টে প্রাণবন্ত ‘বৈশাখী মেলা’: সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশ প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে বর্তমান সরকার: আইসিটি মন্ত্রী নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরও জনবান্ধব করবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সরকারের অবৈধ অভিবাসনের প্রক্রিয়ায় “zero tolerance” নীতির ওপর জোর দক্ষিণ চীন সাগরে আচরণবিধি প্রণয়ন বিভিন্ন দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সহায়ক: চীনা মুখপাত্র ৯ বছর পর চীন সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট সফল উৎক্ষেপণের পর মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছাল থিয়ানচৌ-১০ ডব্লিউএইচএতে তাইওয়ানের অংশগ্রহণ ঠেকাতে চীনের সিদ্ধান্ত কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারে চীনে তাজিক প্রেসিডেন্ট ছবির গাঁ

বাংলাদেশের টেকসই শিল্পায়নে সার্কুলার অর্থনীতির ওপর গুরুত্ব

জার্মান-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: সংগৃহীত


সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তরকে বাংলাদেশের শিল্পখাতের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তার মতে, পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতেও এই ধারণা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে টেকসই উৎপাদন এখন বড় ধরনের মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের শিল্পখাতকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিজিএমইএর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে উদ্যোক্তারা জানান, দেশে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে বছরে প্রায় ৬ লাখ টন টেক্সটাইল বর্জ্য তৈরি হলেও এর খুব অল্প অংশ পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। এতে কাঁচামালের অপচয়ের পাশাপাশি পরিবেশগত ঝুঁকিও বাড়ছে।

তাদের মতে, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহার প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে শিল্পখাতে ব্যয় কমানোর পাশাপাশি নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও তৈরি হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সুইচ টু সার্কুলার ইকোনমি’ কর্মসূচির আওতায় নেওয়া উদ্যোগগুলো দেখিয়েছে যে সার্কুলার অর্থনীতি কেবল তাত্ত্বিক ধারণা নয়, বরং বাস্তবে প্রয়োগযোগ্য একটি কার্যকর মডেল।

সেমিনারে ইউরোপীয় ইউনিয়নও বাংলাদেশে এ খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করে। ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের জন্য প্রতিযোগিতা আরও কঠিন হবে। তাই শিল্পখাতে দক্ষতা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিতে হবে।

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী শিল্পখাতের সক্ষমতা বাড়াতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও দক্ষ করার ওপর জোর দেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD