শিরোনাম :
ফ্রাঙ্কফুর্টে গ্রেটার নোয়াখালী অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী হরিপুর সীমান্তে ১১ জনকে বাংলাদেশে ঢোকানোর চেষ্টা ব্যর্থ ২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ,  চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে হজযাত্রী নিবন্ধন হাম টিকা ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার অভিযোগে ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ফিলিপাইন, জারি সুনামি সতর্কতা গ্লোবাল গভর্ন্যান্স ইনিশিয়েটিভ’ পেয়েছে ১৬০ দেশের সমর্থন: হান চেং রুশ নিয়ন্ত্রিত বন্দরে ড্রোন হামলা, পাঁচ জাহাজ লক্ষ্যবস্তু সমাজতান্ত্রিক সহযোগিতা ও উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবে চীন-লাওস কিউবা ইস্যুতে ওয়াশিংটনের ওপর চাপ বাড়াল বেইজিং ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা নতুন মাত্রায়, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সাইরেন জুড়ে দেশ

দুই কেজির ‘বালিশ মিষ্টি’ স্বাদ ছড়াচ্ছে বিদেশেও

সুলতান আল এনাম,ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৫

‘বালিশ’। নামটা সকলের কাছেই পরিচিত। মানুষ দিনের ক্লান্তি শেষে বালিশ মাথায় দিয়ে আরামে বিছানায় ঘুমায়। ঝিনাইদহ সহ সারাদেশের মানুষ বালিশ মাথায় দিয়ে ঘুমায় বটে। তবে আরেক লোভনীয় সুস্বাদু বালিশ খায়ও! শুনে অনেকে অবাক হতে পারেন। কিন্তু আসলেই তাই। তুলা দিয়ে তৈরি কাপড়ে মোড়ানো তুলতুলে বালিশ খাওয়ার কথা শুনলে যেকোনো মানুষেরই অবাক হওয়ার তো কথাই। কি সত্যিই বালিশ খাওয়া যায়। আর যদি সেটা হয় ঝিনাইদহের দেশবিখ্যাত সুস্বাদু ‘বালিশ’ মিষ্টি। তাহলে তো কথাই নেই।

অজপাড়াগাঁয়ের এ মিষ্টির সুখ্যাতি দেশের গন্ডি ছাড়িয়েছে, যাচ্ছে বিদেশেও। বিস্ময়করভাবে একেকটি মিষ্টির ওজন দুই কেজি। বালিশের মতো দেখতে তাই ক্রেতারাই এ মিষ্টির নামকরণ করেছেন। জেলা শহর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সীমান্তবর্তী উপজেলা মহেশপুরের ভৈরবা বাজার। এ বাজারে সপ্তাহে দুই দিন, শনি ও মঙ্গলবার দুপুর ২টার পর থেকে বিকিকিনি চলে গভীর রাত পর্যন্ত। এ বাজারেই গত ৩৫ বছর মিষ্টি বিক্রি করেন হযরত আলী। তার নিজের হাতে তৈরি বালিশ মিষ্টি কিনতে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে। বিশাল-বিশাল গামলায় কয়েকধরনের মিষ্টি বিক্রি করেন তিনি। তবে একটিতে থাকে ৩ কেজি ওজনের ভিন্নধর্মী বালিশ মিষ্টি। আর অন্যগুলোয় চলে রসগোল্লা, চমচমসহ আরও হরেক রকমের মিষ্টি। বাজারে মিষ্টির দোকান বেশ কয়েকটি থাকলেও তার দোকানে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে।

যেভাবে হয় বালিশ মিষ্টি ‘বালিশ মিষ্টির’ মূল কারিগর হযরত আলী জানান, ‘এ মিষ্টি তৈরি করতে প্রয়োজন মূল তিনটি উপাদান দুধ, চিনি ও ময়দা। প্রথমে দুধ থেকে তৈরি করা হয় ছানা। ছানা ও ময়দা দিয়ে তৈরি হয় মন্ড, আর মন্ড দিয়ে বানানো হয় মূল ‘বালিশ মিষ্টি’। সবশেষে চিনির সিরায় ভাজা হয় বালিশ। তৈরির সময় বালিশকে মুখরোচক করতে প্রয়োগ করা হয় বিশেষ কলাকৌশল। পরিবেশনের আগে বালিশের ওপরে এক ধরনের সুস্বাদু ঘন ক্ষীরের দুধ-মালাইয়ের প্রলেপ দেওয়া হয়। দুই কেজি ওজনের একটি ‘বালিশ মিষ্টি’ ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় গরমের দিন এ মিষ্টি তিন দিন এবং শীতের দিন সাত দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। তিনি জানান, ‘দেশি গাভীর খাঁটি দুধ ছাড়া বালিশ মিষ্টি বানানো হলে প্রকৃত স্বাদ পাওয়া যায় না।

স্থানীয় বেপারীদের কাছ থেকে দেশি গাভীর দুধ কিনে বানানো হয় এই মিষ্টি। মিষ্টিতে কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার না হওয়ায় দিন দিন চাহিদা বাড়ছে। ক্রেতারা মালয়েশিয়া, ওমান, জর্ডান, সিঙ্গাপুর সহ বিভিন্ন দেশে নিয়ে যান এই মিষ্টি। ঝিনাইদহ শহরের রফিকুল ইসলাম জানান, ‘এখানে একটি কাজে এসেছিলাম। কাজ শেষ করে বাজারে এসে ব্যতিক্রমী এ মিষ্টি পেয়ে গেলাম। ২ কেজি ওজনের বালিশ মিষ্টি কিনে নিয়ে যাছি। চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থেকে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ইউটিউবে দেখে এই মিষ্টি খেতে এসেছি। অন্যান্য মিষ্টির থেকে অনেক ভাল স্বাদ। পরিবারের জন্য কিনে নিয়ে যাবো।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD