শিরোনাম :
বন্ধ পাটকল চালু করলে অর্থনীতিতে গতি আসবে;বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যকর মাধ্যম: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বাংলাদেশ-সেনেগাল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উত্তর-পূর্ব জাপানে ভূমিকম্পে কাঁপন, তিন মিটার সুনামির আশঙ্কা লেবাননে ধর্মীয় প্রতীক ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তেজনা, আইডিএফের তদন্ত শুরু আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ক্যান্টন ফেয়ারের বাড়তি গুরুত্ব বৈশ্বিক চলচ্চিত্র সংযোগে বেইজিংয়ের অগ্রযাত্রা অনিশ্চিত বিশ্বে চীনের অর্থনীতি স্থিতির ভরসা

দুই কেজির ‘বালিশ মিষ্টি’ স্বাদ ছড়াচ্ছে বিদেশেও

সুলতান আল এনাম,ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৫

‘বালিশ’। নামটা সকলের কাছেই পরিচিত। মানুষ দিনের ক্লান্তি শেষে বালিশ মাথায় দিয়ে আরামে বিছানায় ঘুমায়। ঝিনাইদহ সহ সারাদেশের মানুষ বালিশ মাথায় দিয়ে ঘুমায় বটে। তবে আরেক লোভনীয় সুস্বাদু বালিশ খায়ও! শুনে অনেকে অবাক হতে পারেন। কিন্তু আসলেই তাই। তুলা দিয়ে তৈরি কাপড়ে মোড়ানো তুলতুলে বালিশ খাওয়ার কথা শুনলে যেকোনো মানুষেরই অবাক হওয়ার তো কথাই। কি সত্যিই বালিশ খাওয়া যায়। আর যদি সেটা হয় ঝিনাইদহের দেশবিখ্যাত সুস্বাদু ‘বালিশ’ মিষ্টি। তাহলে তো কথাই নেই।

অজপাড়াগাঁয়ের এ মিষ্টির সুখ্যাতি দেশের গন্ডি ছাড়িয়েছে, যাচ্ছে বিদেশেও। বিস্ময়করভাবে একেকটি মিষ্টির ওজন দুই কেজি। বালিশের মতো দেখতে তাই ক্রেতারাই এ মিষ্টির নামকরণ করেছেন। জেলা শহর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সীমান্তবর্তী উপজেলা মহেশপুরের ভৈরবা বাজার। এ বাজারে সপ্তাহে দুই দিন, শনি ও মঙ্গলবার দুপুর ২টার পর থেকে বিকিকিনি চলে গভীর রাত পর্যন্ত। এ বাজারেই গত ৩৫ বছর মিষ্টি বিক্রি করেন হযরত আলী। তার নিজের হাতে তৈরি বালিশ মিষ্টি কিনতে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে। বিশাল-বিশাল গামলায় কয়েকধরনের মিষ্টি বিক্রি করেন তিনি। তবে একটিতে থাকে ৩ কেজি ওজনের ভিন্নধর্মী বালিশ মিষ্টি। আর অন্যগুলোয় চলে রসগোল্লা, চমচমসহ আরও হরেক রকমের মিষ্টি। বাজারে মিষ্টির দোকান বেশ কয়েকটি থাকলেও তার দোকানে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে।

যেভাবে হয় বালিশ মিষ্টি ‘বালিশ মিষ্টির’ মূল কারিগর হযরত আলী জানান, ‘এ মিষ্টি তৈরি করতে প্রয়োজন মূল তিনটি উপাদান দুধ, চিনি ও ময়দা। প্রথমে দুধ থেকে তৈরি করা হয় ছানা। ছানা ও ময়দা দিয়ে তৈরি হয় মন্ড, আর মন্ড দিয়ে বানানো হয় মূল ‘বালিশ মিষ্টি’। সবশেষে চিনির সিরায় ভাজা হয় বালিশ। তৈরির সময় বালিশকে মুখরোচক করতে প্রয়োগ করা হয় বিশেষ কলাকৌশল। পরিবেশনের আগে বালিশের ওপরে এক ধরনের সুস্বাদু ঘন ক্ষীরের দুধ-মালাইয়ের প্রলেপ দেওয়া হয়। দুই কেজি ওজনের একটি ‘বালিশ মিষ্টি’ ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় গরমের দিন এ মিষ্টি তিন দিন এবং শীতের দিন সাত দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। তিনি জানান, ‘দেশি গাভীর খাঁটি দুধ ছাড়া বালিশ মিষ্টি বানানো হলে প্রকৃত স্বাদ পাওয়া যায় না।

স্থানীয় বেপারীদের কাছ থেকে দেশি গাভীর দুধ কিনে বানানো হয় এই মিষ্টি। মিষ্টিতে কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার না হওয়ায় দিন দিন চাহিদা বাড়ছে। ক্রেতারা মালয়েশিয়া, ওমান, জর্ডান, সিঙ্গাপুর সহ বিভিন্ন দেশে নিয়ে যান এই মিষ্টি। ঝিনাইদহ শহরের রফিকুল ইসলাম জানান, ‘এখানে একটি কাজে এসেছিলাম। কাজ শেষ করে বাজারে এসে ব্যতিক্রমী এ মিষ্টি পেয়ে গেলাম। ২ কেজি ওজনের বালিশ মিষ্টি কিনে নিয়ে যাছি। চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থেকে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ইউটিউবে দেখে এই মিষ্টি খেতে এসেছি। অন্যান্য মিষ্টির থেকে অনেক ভাল স্বাদ। পরিবারের জন্য কিনে নিয়ে যাবো।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD