শিরোনাম :
টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পাঁচ বছরে ২৪ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্য পেনাল্টি মিসের হতাশা ভুলে ইতিহাস গড়লেন মেসি, অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে অভিযোগ: ঢাবির তিন শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, আরও দুজনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে সুরের মিলনমেলা, দুই দিনের আয়োজন শেষ করল সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ ফ্রান্সে রেকর্ড দাবদাহে দুই দিনে প্রাণ গেল ১৮ জনের নতুন এল নিনোর প্রভাবে বিপর্যয়ের আশঙ্কা, উষ্ণ হতে পারে ২০২৭ সাল সাড়ে তিন মাস পর হরমুজ প্রণালি পেরোল ‘বাংলার জয়যাত্রা’ বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয়, নকআউট নিশ্চিত করল নরওয়ে

“দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবাসীদের নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবা উচিত”

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯

ফারুক আস্তানা,দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিনিধি: দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা থাকলেও বা বসবাস করে আসলেও।শুধু বাংলাদেশিরাই চুরি, ছিনতাই, ডাকাতের কবলে পড়ছেন এবং টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হচ্ছেন।যান- মালের ক্ষতির পরিমাণ অন্য যেকোনো দেশের অভিবাসীদের তুলনায় তিন-চার গুণ বেশি। পৃথিবীর অন্য যেকোনো দেশের তূলনায় দক্ষিণ আফ্রিকায় অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সম্ভবনাও বেশি।

বর্তমানে দেশটিতে যেকোনো সময়ে যেকোনো বয়সী মানুষের সাথে যা-তা ঘটে যেতে পারে।এশীয় হলেতো কোন কথায় নেই।এশিয়ানরা এদেশের অপরাধীদের কাছে সহজ টার্গেট, বেশি লাভ! কারণ হিসেবে ধরা হয় তাদের কাছে নিজেদের নিরাপত্তা বলয়ে রাখার মতো কোন সুযোগই থাকে না।

এশিয়ানদের মধ্যে বাংলাদেশিরা বেশি অনিরাপদ দেশটিতে এর কারণ বেশির ভাগ বাঙালি ব্যবসা করেন তাদের কাছে নগদ অর্থ কেরি করতে হয়। আবার বাসায়ও টাকা পয়সা থাকে অন্যদিকে নিরাপত্তা বলয়ে না থাকতে পারা একটা কারণ।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্তমানে এশিয়ার ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান , চীনের মানুষ বসবাস করে আসছে।চীন ভারতের মানুষজন সহজ শর্তে তাদের রাষ্ট্রের সহযোগিতায় দেশটিতে কৃষি কাজ ও ব্যবসা বাণিজ্য করে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান,আফগানিস্তানের মানুষরা অবৈধ পথে দালালের মাধ্যমে বর্ডার দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় ঢুকছে তারপর শর্ত অনুযায়ী
রিফুজি হিসেবে বসবাস করার সুযোগ পাচ্ছে।

গত কয়েক বছর হিসাব করে দেখা গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় এক বছরে যতজন বাংলাদেশি অপমৃত্যুর শিকার হচ্ছে। তার শতকরা দশ ভাগেরও কম ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের নাগরিক খুন হচ্ছে।

শুধুমাত্র গতএকবছরে দেশটিতে বাংলাদেশি নিহত হয়েছে ১৫৬ জন। অন্য দিকে, পাকিস্তানের নয়জন,ভারতের সাতজন, অাফগানিস্তানের তিনজম নাগরিক অপমৃত্যুর শিকার হয়েছে। আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে বা একেবারে পুঙ্গ হয়ে গেছে এমন সংখ্যাও নেহাত কম নয়।

এতবেশী বাংলাদেশি হতাহতের ঘটনার পিছনে যে বিষয় গুলো উঠে আসছে। তাদের অসাবধানতা, অবহেলা। নিজেদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধতার অভাব। দেশটিতে নিরাপত্তা সংস্থা গুলোর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা না করা।

অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে ডিসেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ আফ্রিকায় অপরাধ সংঘটিত হয় তুলনামূলক বেশি। এই সময়টাতে বাংলাদেশিদের সর্তকতা অবলম্বন করে চলা উচিৎ। একে অপরের মিলে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে যাওয়া উচিত।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD