জার্মানি থেকে ফাতেমা রহমান রুমা:‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই,তাহলে আমরা পেতাম জাতীর পিতা আর বিশ্ব পেত এক মহান নেতা।’ আগস্ট মানেই বাঙালি জাতীর ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। শোকাবহ মাস। এবার বাঙালি জাতির পিতা মহান এই নেতার মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় জার্মানির ফ্রান্কফোর্ট এ পালিত হোল ।বাংলাদেশ সরকার ২০২০ সালকে ঘোষণা করেছে মুজিব বর্ষ। আর তারই ধারাবাহিকতায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো যথাযোগ্য মর্যাদায় ১৮ আগষ্ট স্থানীয় অডিটরিয়াম জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর ৪৪ তম মৃত্যু বাষির্কী পালিত হয়।
পবিত্র কুরআন তালোয়াত এবং জাতীয় সংগীত এর মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পাদক ইউনুস আলী খানের সভাপতিত্বে এবং মাহফুজ ফারুকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ। আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অ্যামবাসির কমার্শিয়াল কাউন্সিলর ড: সৈয়দ মাসুম আহমেদ চৌধুরী, অ্যামব্যাসির সচিব শফিউল আজম, প্রফেসর শরিফুল ইসলাম, মিজানুর হক খান, মাবু জাফর স্বপন, মোহাম্মদ সাহাবউদ্দিন, হাফিজুর রহমান আলম, মোবারক আলী ভুঁইয়া বকুল, নজরুল ইসলাম খালেদ, হাকিম টিটু,টু মাসুদুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন নেছার, গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক মাহমুদুল হাসান মুন্সি, নুরে আলম সিদ্দিকি, কণা ইসলাম, মমতাজুল ফেরদাউস লিপু, ইমানুর রহমান মুসাসহ আরো অনেকে। আলোচনাসভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হতোনা। তার সুদৃঢ় নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে।
জার্মানির ফ্রান্কফোর্ট এ জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় গৌরবোজ্জ্বলের বিভিন্ন ঘটনা। ভাষা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০ এর নির্বাচন ও একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্মৃতিচারণমূলক ঘটনা উঠে আসে।বাঙালি একটি স্বাধীন পতাকা পেয়েছে, একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছে, এজন্য যুগ যুগ ধরে বাঙালি জাতী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে। তার প্রতি সকলের শ্রদ্ধা নিবেদন, তার রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও বাংলাদেশের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে আলোচনা সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।