পিঠা আমাদের বাঙালি ঐতিহ্যের মধ্যে অন্যতম। শীত এসেছে অথচ সামর্থ্য মতো পিঠা খাওয়া হয়নি এমন বাঙালির ঘর পাওয়া যায় না। যারা প্রবাসে বসবাস করছে তারা ইচ্ছে থাকলেও আমাদের সংস্কৃতিকে মনেপ্রাণে লালন করলেও , সময় ও সুযোগের অভাবে তেমন ভাবে নিজস্ব সংস্কৃতিতে সর্বদা উদযাপন করতে পারে না। তারপরও মনে বাঙালীয়ানা সুপ্ত বাসনায় ‘শীত এসেছে! শীত এসেছে পিঠে খাওয়ার ধুম পড়েছে , পিঠা উৎসবের উদ্দেশ্য নিয়ে ছোট্ট পরিসরে কিছু বাঙালি প্রবাসী মিলিত হয়েছিল কেরপেনে কাজল ও শারমিন দম্পতির বাসায়।

জার্মানীর বন , কোলন , গেলজেন কিরসেন , ফ্রেসেন ,মুনস্টার ও হলান্ড্য থেকে আগত প্রায় ১৩ টা পরিবার যৌথভাবে এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করে। হরেকরকম ও মজাদার প্রায় পঁচিশ রকমের পিঠা আয়োজন ছিল। তারমধ্যে নিজ নিজ অঞ্চলের ঐতিহ্য অনুযায়ী যেমন শারমিন পরিবার নরসিংদীর বিখ্যাত ফুল পিঠা ,সরোজিনির কুমিল্লার ম্যারা ও পাকন পিঠা ,সুইটির দুধ চিতই।

সোমা নিজ হাতে বানানো চুই পিঠা। রুবিনার পাটিসাপটা , নিলীমার শুটকি ভর্তা, তালের পিঠা। সাথির সাঁজ পিঠা , রুবির ভাঁপা ও দেওয়ান নিপুর নিজের তৈরী মুড়ির মোয়া আর ডিম ঝাল চিঁতই পিঠা ছিল অন্যতম । হরেক রকম মজাদার পিঠা ও পুলির স্বাদে ফাগুনের আগমনে আর ভালোবাসার ছোঁয়ায় ভরপুর ছিল জার্মানির প্রবাসী বাঙালি এই পারিবারিক পিঠা উৎসব।
সূত্র:দেওয়ান নিপু,বন,জার্মানি।