শিরোনাম :
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রথমবার ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী দুয়ারে সরকারি সেবা: ‘হ্যালো ডিসি’তে মাসে উপকৃত ২,০৯১ জন গুম-নির্যাতনে ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকার ও ক্ষতিপূরণে আসছে নতুন অধিদপ্তর ইন্দোনেশিয়ায় আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের খেলার অনুমোদন দিল চীনের উন্নয়ন বিশ্বের জন্য হুমকি নয়, যৌথ উন্নয়নের সুযোগ আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় এআই প্রযুক্তির সমন্বয়ের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদল আসছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ ফ্রাঙ্কফুর্টে জার্মান আওয়ামী-যুবলীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগস্টের শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা বাংলাদেশ ‘সেফ কান্ট্রি’ তালিকায়, বদলেছে জার্মানির অ্যাসাইলাম নীতি: স্বেচ্ছায় ফেরার প্রবণতা

জাপানের পুন:সামরিকীকরণে আঞ্চলিক উদ্বেগ বৃদ্ধি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

জাপানি গণমাধ্যমের সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, জাপান সরকার অস্ত্র রপ্তানির ওপর বিধি-নিষেধ শিথিল করবে। এর সামগ্রিক বিষয়বস্তু চূড়ান্ত করা হয়েছে ও সরকার এই মাসে ‘প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম হস্তান্তরের তিনটি মূলনীতি’ এবং এর প্রয়োগ নির্দেশিকা সংশোধন করার পরিকল্পনা করছে। অস্ত্র রপ্তানির ওপর থেকে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার লক্ষ্যে, এটি জাপানের সর্বশেষ পদক্ষেপ এবং এটি ‘শান্তি সংবিধান’ লঙ্ঘন করে। ‘কায়রো ঘোষণা’, ‘পটসডাম ঘোষণা’ এবং ‘আত্মসমর্পণ দলিল’সহ একাধিক আন্তর্জাতিকভাবে বাধ্যতামূলক দলিল অনুসারে, জাপানের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ করা উচিত এবং এমন কোনো শিল্প বজায় রাখা নিষিদ্ধ, যা দেশটিকে পুনরায় অস্ত্রসজ্জিত হতে সক্ষম করবে। ‘অস্ত্র রপ্তানির তিনটি নীতি’ হলো জাপানের সামরিক সম্প্রসারণকে সংযত করা এবং আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা। তবে, জাপানের প্রতিরক্ষা শিল্প উন্নয়নের জন্য একটি ‘বেসামরিক পৃষ্ঠপোষকতায় গোপন’ কৌশল গ্রহণ করে। যেখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিপুল পরিমাণে আগ্রাসী অস্ত্র উত্পাদনকারী সামরিক-শিল্প সংস্থাগুলো প্রতিরক্ষা ঠিকাদারে রূপান্তরিত হয়েছে।

 

২০২৫ সালের অক্টোবরে সানায়ে তাকেচি ক্ষমতায় আসার পর, তিনি সামরিক সম্প্রসারণের গতি ত্বরান্বিত করেন। গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে জাপানে প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে ‘অস্ত্র রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা’ অন্তর্ভুক্ত ছিল। জাপান সরকারের কর্মসূচি অনুসারে, দেশটির ডানপন্থী শক্তিগুলো যুদ্ধোত্তর শান্তিবাদ পরিত্যাগের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে। আন্তর্জাতিক সমাজ উপলব্ধি করে যে, জাপানের ‘পুনঃসামরিকীকরণ’ ও পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা দমন করতে এবং আঞ্চলিক ও বিশ্ব শান্তি বজায় রাখতে, আইন ও বিধি অনুসারে জাপানে দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্যের ওপর চীনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয়। এর মধ্যে ২০টি জাপানি সংস্থাকে রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় এবং আরও ২০টিকে নজরদারি তালিকায় রাখা হয়েছে। সূত্র:ছাই-আলিম-প্রেমা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD