শিরোনাম :
ফ্রাঙ্কফুর্টে প্রাণবন্ত ‘বৈশাখী মেলা’: সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশ প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে বর্তমান সরকার: আইসিটি মন্ত্রী নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরও জনবান্ধব করবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সরকারের অবৈধ অভিবাসনের প্রক্রিয়ায় “zero tolerance” নীতির ওপর জোর দক্ষিণ চীন সাগরে আচরণবিধি প্রণয়ন বিভিন্ন দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সহায়ক: চীনা মুখপাত্র ৯ বছর পর চীন সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট সফল উৎক্ষেপণের পর মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছাল থিয়ানচৌ-১০ ডব্লিউএইচএতে তাইওয়ানের অংশগ্রহণ ঠেকাতে চীনের সিদ্ধান্ত কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারে চীনে তাজিক প্রেসিডেন্ট ছবির গাঁ

চীনের শাসনব্যবস্থা বৈশ্বিক প্রশাসনে ‘আলোকবর্তিকা’ হতে পারে

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

সম্প্রতি কিউবার গবেষক এডুয়ার্ডো রেগালাদো ফ্লোরিদো স্পেনের একটি চীন নীতি পর্যবেক্ষণ ওয়েবসাইটে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন। “চীনের ‘সঠিক প্রশাসনিক কার্যকারিতা দৃষ্টিভঙ্গি’: তত্ত্ব, বাস্তব প্রয়োগ এবং লাতিন আমেরিকার জন্য এর তাৎপর্য” শিরোনামে প্রবন্ধে তিনি উল্লেখ করেন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ‘সঠিক প্রশাসনিক কার্যকারিতা দৃষ্টিভঙ্গি’ গঠন ও অনুসরণে গুরুত্ব দেয়, যার লক্ষ্য—দেশ পরিচালনা ও প্রশাসনকে জনগণের মৌলিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখা, বৈজ্ঞানিক নিয়ম মেনে চলা এবং টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা।

 

এই ধারণা যে শুধু চীনের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে তা নয়, বরং বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থার জন্য একটি আলোকবর্তিকা হিসেবেও কাজ করছে।

 

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ‘সঠিক প্রশাসনিক কার্যকারিতা দৃষ্টিভঙ্গি’র মাধ্যমে চীনে জনকল্যাণ, সামাজিক সেবা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের প্রতি সরকারি বিনিয়োগে বেশি উৎসাহ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সরকারি নীতিমালার মাধ্যমে চিকিৎসা, শিক্ষা ও আবাসনসহ সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদা সমাধানে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

 

এ ছাড়া চীনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার মধ্যেও এই দৃষ্টিভঙ্গি অন্তর্ভুক্ত আছে, যাতে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে গড়ে উঠতে পারে।

প্রবন্ধে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও চীন এই ‘সঠিক প্রশাসনিক কার্যকারিতা দৃষ্টিভঙ্গি’ অনুসরণ করে। এটি বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।

 

চীন সবসময় এই অবস্থান বজায় রাখে যে, সহযোগিতাকে সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান রেখেই হতে হবে। এ ছাড়া সহযোগিতা হবে প্রতিটি দেশের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার ভিত্তিতে।

 

চীন কোনও রাজনৈতিক শর্ত আরোপ বা বাইরের কোনও চাপ চাপিয়ে দেওয়ার বিরোধিতা করে। একই নীতি দেশীয় প্রশাসন ও কূটনীতিতেও অনুসরণ করা হয়।

 

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, চীনের এই ‘সঠিক প্রশাসনিক কার্যকারিতা দৃষ্টিভঙ্গি’ এবং এর সফল বাস্তবায়ন বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থায় একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। এটি এমন এক চিন্তাধারা দেখায় যা ‘জনকেন্দ্রিক এবং নিজ দেশের বাস্তব পরিস্থিতিকে সম্মান করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক কার্যকারিতার ওপর গুরুত্ব দেয় এবং টেকসই ফলাফল অর্জনের চেষ্টা করে।’

 

লাতিন আমেরিকার দেশগুলো এবং চীন সমতার ভিত্তিতে সংলাপের মাধ্যমে এই ধারণার স্থানীয় বাস্তবায়ন ও অভিযোজনকে উৎসাহিত করতে পারে এবং একসাথে আরও ন্যায়সঙ্গত ও সমতাভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।

সূত্র:শিশির-ফয়সল-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

 

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD