শিরোনাম :
সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়! বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন অবকাঠামো গড়ার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যকর হচ্ছে ইরানের সব এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান-চীন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তি, শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে উত্তেজনা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র অর্থনীতিতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশ-চীন বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ জোরদারে অনুবাদের গুরুত্ব সবুজ উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে চীন-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা ‘আইনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে কেউ নয়’: নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মামদানি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

গর্ভের শিশুর জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাম কি নিরাপদ?

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৮

গর্ভাবস্থায় আল্ট্রাসনোগ্রাম করলে কি গর্ভের শিশুর কোনো ক্ষতি হয়, কতবার আল্ট্রাসনোগ্রাম করা নিরাপদ?

এ বিষয়ে ইবনে সিনা হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ জেসমিন আক্তার বলেন, প্রথমেই জেনে রাখা ভালো, আল্ট্রাসনোগ্রাম গর্ভের শিশুর কোনো ধরনের ক্ষতি করে না। অনেকেই মনে করেন, আল্ট্রাসনোগ্রাম থেকে কোনো তেজস্ক্রিয় রশ্মি শিশুর ক্ষতি করে। কিন্তু আসলে এটা এক্স-রে নয়। আল্ট্রাসনোগ্রাম হচ্ছে অতি উচ্চ কম্পনসম্পন্ন শব্দ তরঙ্গ, যা সাধারণ শ্রবণ ক্ষমতার বাইরে।

তিনি বলেন, একজন নারী সঠিকভাবে গর্ভাবস্থার প্রতিটি ধাপ পার করছেন কিনা, গর্ভের শিশু সুস্থ আছে কিনা, এই সব কিছুই জানা সম্ভব আল্ট্রাসনোগ্রাম করার মাধ্যমে। এক্ষেত্রে যদি গর্ভের শিশু বা মায়ের কোনো বড় ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় তাও বোঝা সম্ভব। আর সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া যায়।

কতবার আল্ট্রাসনোগ্রাম করা যায় জানতে চাইলে জেসমিন আক্তার বলেন, যেহেতু এর ক্ষতিকারক দিক নেই তাই যতবার ইচ্ছা ততবারই করা যায়। এটা নিয়ে চিন্তার কিছুই নেই। তবে এই পরীক্ষা কিছুটা ব্যয়বহুল অনেকের জন্য। এছাড়া মা এবং শিশুর সব সিমটম যদি স্বাভাবিক থাকে তবে দুই থেকে তিনবারের বেশি আল্ট্রাসনোগ্রাম করার প্রয়োজন নেই।

সেক্ষেত্রে গর্ভের সময়কাল ও প্রসবের সঠিক সময় বের করার জন্য সন্তান ধারণের ৭/৮ সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবার আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়।

১৬ থেকে ২০ সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার করা হয়। এসময় আলট্রাসনোগ্রাম করলে বাচ্চার জন্মগত কোনো ত্রুটি আছে কি না তা জানা যায়। গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে এটাও জানা যায়।

বাচ্চার ওজন বাড়ছে কি না জানতে তৃতীয়বার ৩০-৩৮ সপ্তাহে আলট্রাসনোগ্রাম করার পরামর্শ দেয়া হয়। জন্মের সময় বাচ্চার পজিশনসহ অন্য বিষয়গুলো সব ঠিকভাবে আছে কি না জানা যায়।

হাসপাতাল-ভেদে আলট্রাসনোগ্রাম করতে সাদাকালো ৫০০ থেকে ১০০০ এবং কালার করতে ১০০০ থেকে ২৫০০ টাকা খরচ হয়।

গর্ভাবস্থায় একজন নারীর সব সময় পরিবার, কর্মক্ষেত্রসহ সবার সব ধরনের সহযোগিতা, পাশে থাকা, ভালোবাসা ও যত্ন নেয়া প্রয়োজন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD