শিরোনাম :
২০১৬ সালের পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী গ্রীষ্ম, জার্মানিতে গরমে প্রায় ১০ হাজার মৃত্যু পরিবর্তনের জন্য বারবার রক্ত দিতে হয়েছে জাতিকে সংস্কৃতি মন্ত্রীর সাথে ইউনেস্কো প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ এগ্রিভোল্টাইক হবে কৃষকবান্ধব, খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা যাবে না: পরিবেশমন্ত্রী বাগেরহাটে ডিবির অভিযানে উদ্ধার ১১ চোরাই গরু ও পিকআপ, গ্রেপ্তার ৩ হজ প্যাকেজ আরও সাশ্রয়ী করতে নতুন উদ্যোগ, প্রতারণায় কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রীর শারীরিক সীমাবদ্ধতা নয়, মেধা ও আত্মবিশ্বাসই সাফল্যের পথ তৈরি করে: ববি হাজ্জাজ হৃদরোগে আক্রান্ত ৯ বছরের হাবিবুল্লাহ বাঁচতে চায়, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

খুলনা-৪ আসনের এমপি সুজার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৭ জুলাই, ২০১৮

জার্মানবাংলা২৪ ডটকম: বৃহস্পতিবার ২৬ জুলাই রাত ১২টা ৫ মিনিটে তিনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ, খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মোস্তফা রশিদী সুজা। (ইন্নালিল্লাহি—-রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

আওয়ামী লীগের এই নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার পৃথক শোকবার্তায় তারা মরহুমের বিদ্রেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, এমপি সুজা এলাকার উন্নয়নসহ গণতন্ত্র বিকাশে অবদান রেখেছেন। তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

অপর এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সাংসদ সুজা জনগণের হৃদয়ে চিরদিন বেঁচে থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

১৯৯০ সালের পর তিনি খুলনা-৪ (রূপসা, তেরখাদা ও দীঘলিয়া) আসন থেকে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত তিনি জাতীয় সংসদে হুইপের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে তিনি সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি। সর্বশেষ ২০১৪ সালে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি জয়লাভ করেন।

ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির মধ্যদিয়েই তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। এরপর আবাহনী ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি খুলনা পৌরসভার কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া আমৃত্য তিনি আবাহনী ক্রীড়া চক্র ও খুলনা নাট্য নিকেতনের সভাপতিসহ বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD