শিরোনাম :
বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’ ইউরোপজুড়ে দাবানলের তাণ্ডব, স্পেনে প্রথম জাতীয় জরুরি অবস্থা দক্ষিণ চীন সাগরে বহিরাগত হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ চীন-আসিয়ান বৈঠকে চার দফা সহযোগিতা প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আলোচনা নয়, সরকারের সঙ্গে বৈঠকের আগে সিজেপির কঠোর বার্তা কুয়েত ও কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার দাবি

কঙ্গোয় ভয়াবহ সহিংসতা, গ্রামে আগুন ও হত্যাযজ্ঞে বহু প্রাণহানি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

কঙ্গোর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ইতুরি প্রদেশে সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মামবাসা এলাকার একটি গ্রামে এ আক্রমণে অন্তত ৪৩ জন নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, হামলাকারীরা গ্রামজুড়ে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং বহু ঘরবাড়ি ধ্বংস করে। অভিযুক্ত গোষ্ঠী অ্যালাইড ডেমোক্রেটিক ফোর্স (এডিএফ), যারা বহু বছর ধরে এ অঞ্চলে সক্রিয়।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ চলছে এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের অপহরণের শিকার হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।

বিশ্লেষকরা বলছেন, পূর্ব কঙ্গোতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরেই ভঙ্গুর। এম২৩সহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি এ অঞ্চলে সংঘাতকে জটিল করে তুলেছে। ২০২০ সাল থেকে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার একটি বড় অংশের জন্য এডিএফকে দায়ী করা হচ্ছে।

যৌথ সামরিক অভিযান চলমান থাকলেও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD