জার্মান-বাংলা রিপোর্ট: ঈদ অর্থ খুশি। এই খুশিতে সকল হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে একে অপরকে পরম আনন্দে জড়িয়ে নেয় বুকে। এই উৎসবে খুশির বন্যায় ভাসছে বিশ্ব। এ যেন এক নতুন পৃথিবী। এই দিনে ধনী-গরীবের মধ্যে নেই কোনো ভেদাভেদ। এটিই তো হওয়া
উচিত প্রকৃত মুসলমানের নীতি ও আদর্শ। যেভাবে আজ সুহার্দপূর্ণ ভেদাভেদহীন নির্ভেজাল মিলনমেলায় পরিণত সারা বিশ্ব। এই দিনটিতে বিশ্বের ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়ানোর শিক্ষা পায়। এ দিনটি কেবল আনন্দের বার্তাই বয়ে আনে না, বরং এর মধ্য দিয়ে প্রসারিত হয় ইসলামে বর্ণিত বিশ্বব্যাপী সাম্যের জয়গান। দীর্ঘ এক মাস সংযমী থেকে পরিশুদ্ধ হৃদয়ে কলুষমুক্ত জীবন, পরিবার ও সমাজ গঠনের অঙ্গীকারে সারা বিশ্বের মুসলমানেরা একে অপরের ভাই ভাইয়ে পরিণত হয়। এটা মুসলানদের সংযম সাধনার প্রকৃত শিক্ষা।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ সাধ্যমতো প্রস্তুতি নিয়েছেন। অনেকে নাড়ির টানে আপনজনদের কাছে মানুষ ছুটে গেছেন । প্রিয়জনের মুখের হাসি দেখাও যেন আরেক ঈদ।
ঈদের দিনটিতে ধনী গরিব, উচ্চ, মধ্যম ও নিম্ন বলে কিছু নেই। সবার মুখে ফুটে হাসি ফোটায়। আমাদের সমাজ জীবনে এই উৎসব সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে বন্ধন তৈরিতে ভূমিকা রাখে।’
বড় কাটারা আশরাফুল উলুম মাদ্রাসার পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনী বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর মুসলিম জাহানের জন্য আনন্দ ও শান্তির বার্তা নিয়ে এবারও আমাদের মাঝে হাজির হয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার জন্য শ্রেষ্ঠ উপহার পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ আমাদের শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনুপম শিক্ষা দেয়। মানুষের আনন্দময় সত্তার জাগরণ ঘটায়। মুসলিম উম্মাহকে সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে। ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে ন্যায় ও ইনসাফের শিক্ষা দেয়।’
পবিত্র এ দিনটি উপলক্ষে মুসলিম জাহানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশ-বিদেশের সকল সাংবাদিক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিছেন জার্মান-বাংলা টুয়েন্টিফোর-এর সম্পাদক ও প্রকাশক ফাতেমা রহমান রুমা। তিনি তার শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, ‘ঈদের খুশি সারা বিশ্বব্যাপী সকল মুসলমানদের মধ্যে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ।’