দলটির অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই একটি নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রণয়ন করবে বিএনপি। আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগে সরকারকে যতটা সম্ভব চাপে রাখার ইচ্ছা তাদের। কারণ তাদের ভয়, বিএনপি যদি কোনো আন্দোলন ছাড়াই নির্বাচনে অংশ নেয়, তাহলে ক্ষমতাসীন জোট নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে।
বিএনপির একজন ঊর্ধ্বতন নেতা বলেছেন, ‘আমরা যদি আন্দোলনে যাই, তাহলে সরকার চাপে থাকবে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবে। এবার আর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণ কেউ নিয়ে নিতে পারবে না। অচিরেই আমরা আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করব।’
আন্দোলনের ব্যাপারে দলের জেলা পর্যায়ের নেতাদের শিগগিরই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
আন্দোলন শুরুর আগে তৃণমূলের কর্মীদের উজ্জীবিত করার সম্ভাব্য সকল উপায় বের করতে প্রায় প্রতিদিনই দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা বৈঠক করে যাচ্ছেন।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনের পাশাপাশি আন্দোলন কর্মসূচিরও প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। সরকার যদি আমাদের দাবিতে সাড়া না দেয় তাহলে আন্দোলনে নামা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।’
নির্বাচনকে মাথায় রেখেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নামের তালিকা চূড়ান্ত করতে কাজ করছে বিএনপি। ইতিমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় কাজ করতে ৪০ হাজারেরও বেশি কমিটি গঠন করতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া বেশ কয়েকজন বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীরও মতামত নিয়েছেন। তাদের অনেকেই তারেক রহমানকে নির্বাচনে অংশ নিতে এবং দলের দাবি পূরণে আন্দোলনে নামার পরামর্শ দিয়েছেন। তথ্য সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার