শিরোনাম :
টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পাঁচ বছরে ২৪ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্য পেনাল্টি মিসের হতাশা ভুলে ইতিহাস গড়লেন মেসি, অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে অভিযোগ: ঢাবির তিন শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, আরও দুজনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে সুরের মিলনমেলা, দুই দিনের আয়োজন শেষ করল সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ ফ্রান্সে রেকর্ড দাবদাহে দুই দিনে প্রাণ গেল ১৮ জনের নতুন এল নিনোর প্রভাবে বিপর্যয়ের আশঙ্কা, উষ্ণ হতে পারে ২০২৭ সাল সাড়ে তিন মাস পর হরমুজ প্রণালি পেরোল ‘বাংলার জয়যাত্রা’ বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয়, নকআউট নিশ্চিত করল নরওয়ে

আইয়ুব বাচ্চু’র গীটার সাধনাই তাকে রাখবে স্মরণীয়

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮

নিসুর রহমান দীপু, যুক্তরাষ্ট্র থেকে: মানুষ তার কর্মে বিখ্যাত হয়ে উঠে। আবার তার কর্মের মাধ্যমে সে স্মরণীয় হয়ে থাকে বা থাকতে পারে। আইয়ুব বাচ্চু একজন তারকা ছিলেন, তার খ্যাতি ছিল উপমহাদেশ জুড়ে। উনি নিজে বিখ্যাত হওয়ায় কি চাইতেন আর কেউ গান না করুক, গীটার না বাজাক! না, বরং উনি নতুনদেরকে উৎসাহিত করতেন। তাই প্রায়ই দেখা যেত অন্য ব্যান্ড বা শিল্পীদের সাথে গীটার নিয়ে মঞ্চে উঠে যেতে।

দেশেতো বটেই কলকাতার শিল্পীদেরকেও তিনি উৎসাহ দিয়েছেন। যেমন সেখানকার এক পত্রিকায় তাৎক্ষণিক কলাম লিখেছেন ফসিলস ব্যান্ডের রূপম ইসলাম। তার লিখাতেও তার প্রমাণ মিলে। তিনি লিখেছেন, বাংলা রক নিয়ে আমার যে ফ্যাশন রয়েছে, সেটাকে তো খুব বেশি লোকে শুরুর দিকে সমর্থন করেননি। যারা করেছিলেন, তাদের মধ্যে দু’‌জনের নাম বলতেই হবে— মাকসুদুল হক ও আইয়ুব বাচ্চু। মাকসুদুল হক কলকাতায় খুব বেশি আসতেন না। তাই তার সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ খুব বেশি হতো না। কিন্তু বাচ্চু ভাই প্রায়ই কলকাতায় আসতেন। যতবার তিনি এসেছেন, ততবারই দেখা করতে গিয়েছি, ততবারই তিনি আপন করে নিয়ে আড্ডা মেরেছেন। খেয়াল রাখতে হবে, আমি কিন্তু তখন প্রতিষ্ঠিত নই, লড়াই চালাচ্ছি। তবু একসঙ্গে খাবার ভাগ করে নিতেন, উৎসাহ দিতেন।

সেই সময় বাচ্চু ভাই বারবার বলতেন, ‘‌কলকাতায় বাংলা রক নেই। তোরা যে পথে এগোচ্ছিস, সেটাই ঠিক পথ। তোদের পথেই কলকাতায় বাংলা রক আসবে। তুই–ই কলকাতায় বাংলা রক আনবি।’‌ একবার নয়, এই কথাটা উনার মুখে বারবার শুনেছি।

অথচ আমাদের দেশেই অনেক বিখ্যাত (!) নির্মাতা আছেন তারা চান না তার কাজটি আর কেউ করুক। আল্লাহ যেন শুধু তাকেই কাজটি করার জন্য মনোনীত করেছেন! কেউ যদি কোন অনুষ্ঠান করতে শুরু করেন তাহলে তার গলা চেপে ধরার জন্য উঠে পড়ে লাগেন। তার অনুষ্ঠান বন্ধের জন্য নানা রকমের পাঁয়তারা করেন। সে যদি চাকরী করেন তাহলে তার ক্ষমতা বলে চাকরী খেয়ে ফেলতে চান। নিজে ইগো সমস্যায় ভোগে নতুনের উপর তার দায় চাপান। যেই তার কাজটি করবে সেই হবে তার শত্রু। আমি নিজেও যে তার ভুক্তভোগী।

কেউ অমরত্ব নিয়ে আসেন নাই। একদিন সেই বিখ্যাত (!) লোকেরও মৃত্যু হবে। কিন্তু তার জন্য কি কাঁদবে জাতি, যেভাবে আজ কাঁদছে পৃথিবী! কেউ কি লিখবে তার প্রসংশাগীতি? হয়তো তার নির্মাণের প্রসংশা হবে কিন্তু ব্যক্তি হিসাবে তার সমালোচনা থাকবে সর্বত্র। আর এখানেই মানুষে মানুষে পার্থক্য।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD