শিরোনাম :
জাতিসংঘে প্রথম দিনে তারেক রহমানের ১০ কর্মসূচিতে ৩৬০ ডিগ্রি কূটনৈতিক কৌশলের প্রতিফলন হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, চলতি মাসে সর্বোচ্চ চীন-মার্কিন বাণিজ্যের ভিত্তি পারস্পরিক সুবিধা: সিজিটিএন জরিপ সেপ্টেম্বরে পাস হওয়া তিন আইনে মানবাধিকার সুরক্ষা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা: এইচআরডব্লিউ মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান তারেক রহমান ও এরদোগানের বৈঠক, বাংলাদেশ-তুরস্ক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব নিউইয়র্কে ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে অপরাধের অভিযোগ: মোজাফফরের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের শুনানি জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়!

বিতর্কের মধ্যেই কার্যকর চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন ট্যারিফ, গড়ে ৪১ শতাংশ চার্জ বৃদ্ধি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫

ব্যবসায়ীদের তীব্র আপত্তি উপেক্ষা করে আজ বুধবার থেকে কার্যকর হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন ট্যারিফ কাঠামো। নতুন হার অনুযায়ী, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর ব্যবহারে আগের তুলনায় গড়ে ৪১ শতাংশ বেশি চার্জ দিতে হবে ব্যবহারকারীদের।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “নতুন ট্যারিফ কার্যকরের বিষয়ে আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। আজ থেকে সেটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।”

অন্যদিকে, ট্যারিফ কার্যকর না করার আহ্বান জানিয়ে মঙ্গলবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে চট্টগ্রাম পোর্ট ইউজার্স ফোরাম (সিপিইউএফ)। চিঠিতে তিনটি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়—
১️⃣ ট্যারিফ বাস্তবায়ন আপাতত স্থগিত রেখে পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়া,
২️⃣ শিপিং এজেন্ট, আমদানি-রপ্তানিকারক, জাহাজ মালিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে যৌক্তিক কাঠামো তৈরি করা,
৩️⃣ বন্দরের উন্নয়ন ও পরিচালনায় সেবা-ভিত্তিক এবং অলাভজনক মনোভাব বজায় রাখা।

ফোরামের আহ্বায়ক আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরীর সই করা চিঠিতে বলা হয়, ট্যারিফ বৃদ্ধির ফলে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা কমে যেতে পারে এবং চট্টগ্রাম বন্দর আন্তর্জাতিকভাবে “ব্যয়বহুল ও অনিশ্চিত” গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।

এফবিসিসিআইর সাবেক পরিচালক ও ফোরামের সদস্য আমিরুল হক জানান, “প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। তিনি দেশে ফিরে এ নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলে আমরা আশা করছি।”

চিঠিতে আরও বলা হয়, নতুন ট্যারিফে জাহাজ ও লজিস্টিকস সেবার ওপর গড় চার্জ ৪১ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে, যা দেশের আমদানি-রপ্তানি খাতের জন্য উদ্বেগজনক। বিশেষ করে রপ্তানি পণ্যের কনটেইনার হ্যান্ডলিং, স্টোরেজ ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, জ্বালানি, গম, সার ও শিল্পের কাঁচামালের আমদানি খরচও বাড়বে, যা দেশের মূল্যস্ফীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। এতে আন্তর্জাতিক শিপিং কমিউনিটির কাছে চট্টগ্রাম বন্দরের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD