২৬ মার্চ বুধবার বিকাল ৫ ঘটিকায় স্বাধীনতা স্বপক্ষের প্রবাসীদের উদ্যোগে বাণিজ্যিক শহর ফ্রাঙ্কফুটে ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন, জাতীয় শিশু দিবস ও ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের ৫৪তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা “সর্ব ইউরোপিয়ান মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ”- এর সভাপতি আমিনুর রহমান খসরু। এছাড়াও মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মহসিন হায়দার মনি। সভাটি পরিচালনা করেন নজরুল ইসলাম খালেদ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফিজুর রহমান আলম। সভায় মূল্যবান বক্তব্য রাখেন সামাজিক একটিভিষ্ট কামরুল আহসান সেলিম, পিন্টু রহমান, হেদায়েতুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, মো. সামাদ ও সভার সঞ্চালক নজরুল ইসলাম খালেদসহ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম স্বাধীনতা দিবসে ঢাকসহ বাংলাদেশের কোথাও আলোকসজ্জা এবং সামরিক কুচকাওয়াচের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বক্তার আরো বলেন, এই অবৈধ ইউনুস সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য স্বাধীনতার সমগ্র গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাসকে ধ্বংস করা। তাদের আরো উদ্দেশ্য স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রহমানকে ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলা, স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামীলীগকে নিশ্চিহ্ন করা ও সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করা। প্রতিদিনের ঘটনায় আমরা তাই দেখতে পাই।
বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত ৩২ নাম্বার বাড়ি যেখান থেকে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ডাক এসেছিল,স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। যে বাড়িটিকে বঙ্গবন্ধর কন্যাদ্বয় জাদুঘর হিসাবে রাষ্ট্রকে দান করে দিয়েছিল, বাঙালি জাতির সেই গৌরবোজ্জ্বল বাড়িটিকে বুল ডোজার দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। এমনকি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জাদুঘরকেও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। ওরা স্বাধীনতার পতাকাকে পরিবর্তন করতে চায়, ওরা জাতীয় সংগীতকে পরিবর্তন করতে চায়।

বক্তারা এই অবৈধ ফ্যাসিস্ট ষড়যন্ত্রকারী ইউনুস সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, গায়ের জোর দিয়ে পাকিস্তান তারাই টিকে থাকতে পারে নাই। যদি প্রয়োজন হয় একাত্তরের মত দেশপ্রেমিক বাঙালিরা একত্রিত হয়ে এই অবৈধ সরকারকে নিশ্চিহ্ন করে,বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ উন্নয়নের জন্য আবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করা হবে। বক্তারা আরো বলেন ৩০ লক্ষ মানুষের জীবন এবং দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে কোন কিছুর বিনিময় ক্ষুন্ন হতে দিব না। সভার শেষে ইফতারির পূর্বে স্বাধীনতা যুদ্ধে সকল শহীদদের জন্য বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে দোয়া করা হয়।