শিরোনাম :
‘একসময় মধ্যপ্রাচ্যে’ সিনেমার বক্স অফিসে দ্রুত উত্থান ৫০০টি শূন্য-কার্বন কারখানা নির্মাণের পথে চীন ওয়াশিংটন-অটোয়া সমঝোতার আভাস, কানাডার পণ্যে শুল্ক স্থগিত জার্মানিতে অভিবাসন বিরোধ, নর্ড স্ট্রিম তদন্ত, রাইনে নাব্য সংকট ও চরম আবহাওয়ার সতর্কতা ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে ভোট, বৃহস্পতিবার মুখোমুখি মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ জনের, আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৪৪ হাজার বিদেশে কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নেওয়ার উদ্যোগ লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি, আগস্টে প্রত্যাবাসন ৫১৪ পাঁচ মাস পর নতুন কমিশন পেল দুদক নবম জাতীয় বেতন স্কেল: সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির চূড়ান্ত সুপারিশ

জাপানের পুন:সামরিকীকরণে আঞ্চলিক উদ্বেগ বৃদ্ধি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

জাপানি গণমাধ্যমের সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, জাপান সরকার অস্ত্র রপ্তানির ওপর বিধি-নিষেধ শিথিল করবে। এর সামগ্রিক বিষয়বস্তু চূড়ান্ত করা হয়েছে ও সরকার এই মাসে ‘প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম হস্তান্তরের তিনটি মূলনীতি’ এবং এর প্রয়োগ নির্দেশিকা সংশোধন করার পরিকল্পনা করছে। অস্ত্র রপ্তানির ওপর থেকে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার লক্ষ্যে, এটি জাপানের সর্বশেষ পদক্ষেপ এবং এটি ‘শান্তি সংবিধান’ লঙ্ঘন করে। ‘কায়রো ঘোষণা’, ‘পটসডাম ঘোষণা’ এবং ‘আত্মসমর্পণ দলিল’সহ একাধিক আন্তর্জাতিকভাবে বাধ্যতামূলক দলিল অনুসারে, জাপানের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ করা উচিত এবং এমন কোনো শিল্প বজায় রাখা নিষিদ্ধ, যা দেশটিকে পুনরায় অস্ত্রসজ্জিত হতে সক্ষম করবে। ‘অস্ত্র রপ্তানির তিনটি নীতি’ হলো জাপানের সামরিক সম্প্রসারণকে সংযত করা এবং আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা। তবে, জাপানের প্রতিরক্ষা শিল্প উন্নয়নের জন্য একটি ‘বেসামরিক পৃষ্ঠপোষকতায় গোপন’ কৌশল গ্রহণ করে। যেখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিপুল পরিমাণে আগ্রাসী অস্ত্র উত্পাদনকারী সামরিক-শিল্প সংস্থাগুলো প্রতিরক্ষা ঠিকাদারে রূপান্তরিত হয়েছে।

 

২০২৫ সালের অক্টোবরে সানায়ে তাকেচি ক্ষমতায় আসার পর, তিনি সামরিক সম্প্রসারণের গতি ত্বরান্বিত করেন। গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে জাপানে প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে ‘অস্ত্র রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা’ অন্তর্ভুক্ত ছিল। জাপান সরকারের কর্মসূচি অনুসারে, দেশটির ডানপন্থী শক্তিগুলো যুদ্ধোত্তর শান্তিবাদ পরিত্যাগের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে। আন্তর্জাতিক সমাজ উপলব্ধি করে যে, জাপানের ‘পুনঃসামরিকীকরণ’ ও পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা দমন করতে এবং আঞ্চলিক ও বিশ্ব শান্তি বজায় রাখতে, আইন ও বিধি অনুসারে জাপানে দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্যের ওপর চীনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয়। এর মধ্যে ২০টি জাপানি সংস্থাকে রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় এবং আরও ২০টিকে নজরদারি তালিকায় রাখা হয়েছে। সূত্র:ছাই-আলিম-প্রেমা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD