শিরোনাম :
জার্মানিতে অভিবাসন বিরোধ, নর্ড স্ট্রিম তদন্ত, রাইনে নাব্য সংকট ও চরম আবহাওয়ার সতর্কতা ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে ভোট, বৃহস্পতিবার মুখোমুখি মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ জনের, আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৪৪ হাজার বিদেশে কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নেওয়ার উদ্যোগ লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি, আগস্টে প্রত্যাবাসন ৫১৪ পাঁচ মাস পর নতুন কমিশন পেল দুদক নবম জাতীয় বেতন স্কেল: সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির চূড়ান্ত সুপারিশ জেনেভায় গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত শিল্প ও পরিবহনে নতুন চাপের মধ্যে জার্মানি, অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির আশা ও AI নিয়ে বাড়ছে প্রস্তুতি সিসিলির জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের ‘অমূল্য’ চার চিত্রকর্ম চুরি

চীনের উন্মুক্ত নীতি ও অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতায় গুরুত্ব

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

সম্প্রতি স্পেনের ক্যাটেড্রা চায়না , যুক্তরাজ্যের দ্য গার্ডিয়ান, সিঙ্গাপুরের দ্য স্ট্রেইটস টাইমস এবং বিবিসি-সহ বেশ কয়েকটি বিদেশি সংবাদমাধ্যম ও সংস্থা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে যে, ২০২৬ সালের জাতীয় গণ-কংগ্রেস এবং চীনা গণরাজনৈতিক পরামর্শ সম্মেলন (এনপিসি এবং সিপিপিসিসি) আয়োজনের মধ্য দিয়ে চীনের আধুনিকায়ন প্রক্রিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে পৌঁছেছে। এই ‘দুই অধিবেশন’ কেবল বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখাই দেবে না, বরং আনুষ্ঠানিকভাবে ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাও চালু করবে; যার কৌশলগত দূরদর্শিতা আন্তর্জাতিক সমাজের ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

স্পেনের ক্যাটেড্রা চায়না-এর ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয় যে, চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই বার্ষিক রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে পঞ্চদশ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার পর্যালোচনা ও অনুমোদন চীন এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির বিবর্তনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর প্রতিফলন হিসেবে ৩ হাজারেরও বেশি চীনা ও বিদেশি সাংবাদিক এই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনাটি কাভার করবেন। চীনের জাতীয় গণ-কংগ্রেস এবং চীনা গণরাজনৈতিক পরামর্শ সম্মেলন (এনপিসি এবং সিপিপিসিসি) গভীর আন্তর্জাতিক পরিবর্তনের এই সময়কালে চীনের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের পথ নির্ধারণ করবে। চীন একটি উন্মুক্ত নীতি মেনে চলে এবং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের প্রবেশ সহজতর করেছে। এসব পদক্ষেপ চীনকে বহিরাগত চাপের মধ্যেও অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা প্রদর্শন করতে এবং ধীরে ধীরে বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর তার অতিরিক্ত নির্ভরতা হ্রাস করতে সক্ষম করে তুলেছে।

‘টনি ব্লেয়ার ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল চেঞ্জ’-এর সিনিয়র নীতি উপদেষ্টা রুবি ওসমানের উদ্ধৃতি দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, “এই বছরের ‘দুই অধিবেশন’ ব্যতিক্রমীভাবে ব্যস্ত থাকবে। দুই অধিবেশন সাধারণত আমাদের আগামী বছরের জন্য চীনের নীতিগত দিকনির্দেশনা সম্পর্কে একটি অন্তর্দৃষ্টি দেয়। এই বছর, দুই অধিবেশন ভূ-রাজনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় মোকাবিলা করার জন্য আরও ব্যাপক কৌশলও প্রণয়ন করবে।”

সিঙ্গাপুরের দ্য স্ট্রেইটস টাইমস-এ প্রকাশিত প্রবন্ধে বিশ্লেষকরা বলেছেন যে, চীনের নীতিগত অগ্রাধিকারগুলো মূলত শিল্পের উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা এবং একটি “শক্তিশালী দেশীয় বাজার” গড়ে তোলার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে।

বিবিসি জানিয়েছে যে, বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বার্ষিক ‘দুই অধিবেশন’ হলো চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রবণতা পর্যবেক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ জানালা। ভোগ বৃদ্ধির জন্য আরও সুনির্দিষ্ট এবং কার্যকর নীতিগত ব্যবস্থা উঠে আসবে কি না—তা বিবেচনা করে এই বছরের অধিবেশনগুলো বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে।

সূত্র:জিনিয়া-তৌহিদ-তুহিনা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD