শিরোনাম :
টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পাঁচ বছরে ২৪ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্য পেনাল্টি মিসের হতাশা ভুলে ইতিহাস গড়লেন মেসি, অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে অভিযোগ: ঢাবির তিন শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, আরও দুজনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে সুরের মিলনমেলা, দুই দিনের আয়োজন শেষ করল সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ ফ্রান্সে রেকর্ড দাবদাহে দুই দিনে প্রাণ গেল ১৮ জনের নতুন এল নিনোর প্রভাবে বিপর্যয়ের আশঙ্কা, উষ্ণ হতে পারে ২০২৭ সাল সাড়ে তিন মাস পর হরমুজ প্রণালি পেরোল ‘বাংলার জয়যাত্রা’ বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয়, নকআউট নিশ্চিত করল নরওয়ে

আফ্রিকাই দেবে জলবায়ু সংকটের বড় মূল্য: জাতিসংঘ মহাসচিব

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫

বিশ্বে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে আফ্রিকার অবদান খুবই কম হলেও মহাদেশকেই সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হবে—এ সতর্ক বার্তা দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে শনিবার শুরু হওয়া জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম দিন তিনি এ মন্তব্য করেন।

গুতেরেস জানান, বিশ্ব ইতোমধ্যে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সীমা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সাময়িকভাবে হলেও সেই সীমা অতিক্রম করেছে বৈশ্বিক উষ্ণতা। এখন লক্ষ্য হওয়া উচিত—এই অতিক্রম যেন যতটা সম্ভব কম সময়ের জন্য, নিয়ন্ত্রিত এবং নিরাপদ থাকে।

জলবায়ু পরিবর্তনের চরম বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, অতি গরম, বন্যা, প্রবল ঘূর্ণিঝড় এবং খাদ্যসংকটের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। তাই সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক তহবিল বৃদ্ধির দাবি জানান তিনি।

জি-২০ রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মহাসচিব বলেন, স্থিতিশীল ও সহনশীল বিশ্ব গড়তে অভিযোজন ঘাটতি দূর করা এখন জরুরি। তাঁর মতে, জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক অভিযোজন তহবিল তিন গুণ বাড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গত বছর বিশ্বের নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৯০ শতাংশ এসেছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে। প্রায় সব দেশেই এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিই নতুন বিদ্যুতের সবচেয়ে সাশ্রয়ী উৎস হিসেবে বিবেচিত।

এ পরিস্থিতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলো যেন লাভবান হয়, সে জন্য তাদের বিদ্যুৎ গ্রিড, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, শক্তি-দক্ষতা বৃদ্ধি এবং রূপান্তরের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও সম্প্রদায়কে সহায়তা দিতে প্রযুক্তি ও অর্থায়ন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন গুতেরেস।

সূত্র: আনাদুলো এজেন্সি

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD