শিরোনাম :
ইয়েমেনে জ্বালানি সংকটে পানির সরবরাহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা, ঝুঁকিতে ১৬ লাখ শিশু ফ্রান্সে প্রশিক্ষণকালে যুদ্ধবিমান ‘মিরাজ ২০০০ডি’ বিধ্বস্ত: পাইলট নিহত, নেভিগেটর নিখোঁজ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ: সিলেটে উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আমিরাত ১ নভেম্বর থেকে সব খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক: নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কড়া নির্দেশনা গুজব ও ধর্মীয় উগ্রতার বিরুদ্ধে তরুণদের সোচ্চার থাকার ডাক রাষ্ট্রপতির: বঙ্গভবনে বিজয়ার সংবর্ধনা স্বর্ণ চোরাচালানের পর এবার জুলাই আন্দোলনের হত্যাচেষ্টা মামলা: দিলীপ আগরওয়ালার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন অশ্রুসজলে দেবীকে বিদায়ের ক্ষণ: আজ শুভ বিজয়া দশমী, মণ্ডপে মণ্ডপে সিঁদুর খেলা ও বিসর্জন জার্মানির স্টুটগার্টের দুর্গাবাড়িতে শারদীয় দুর্গোৎসব: সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী:স্বাক্ষরিত হতে পারে একাধিক সমঝোতা স্মারক নাগরিকদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই সরকারের অঙ্গীকার

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলিতে নতুন সুযোগ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৮

জার্মানবাংলা স্পেশাল রিপোর্ট: প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলিতে নতুন নীতিমালায় ৬টি ক্যাটাগারি রাখা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষকরা বদলিতে ৬ ক্যাটাগারিতে এই সুযোগ পাবেন।

স্বামী বা স্ত্রী সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত যে কোনো ধরনের প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবী হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন।

বেসরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে এ সুযোগ রাখা হয়নি। নির্দেশিকা অনুযায়ী, সাধারণভাবে সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার বাইরে থেকে কেউ বদলি হয়ে আসতে পারবেন না। কেবল স্বামী বা স্ত্রীর চাকরির সুবাদে এবং স্থায়ী ঠিকানা হলেই সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার মধ্যে বদলি হওয়া যাবে।

চাকরির মেয়াদ ২ বছর পূর্ণ না হলে কেউ বদলি হতে পারবেন না। ৫ বছরের মধ্যে দু’বার বদলির সুযোগ মিলবে না। কোনো উপজেলাতেই মোট পদের ১০ শতাংশের বেশি অন্য এলাকার শিক্ষককে পদায়ন করা যাবে না।

নতুন জারি করা ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলি নির্দেশিকা ২০১৮’-তে ৮টি ধারা ও ৪২টি উপধারা আছে। ৩০ অক্টোবরে জারি করা এ নীতিমালায় বলা হয়েছে- সাধারণ, বৈবাহিক, প্রশাসনিক, সমন্বয়ের প্রয়োজন, সংযুক্ত ও বিবিধ কারণে বদলি করা যাবে।

বদলি ও এর আবেদনের সময় আগের মতোই জানুয়ারি থেকে মার্চ। তবে প্রশাসনিক ও সমন্বয়ের প্রয়োজনে সারা বছরই বদলি করা যাবে। এ ধরনের বদলির আদেশ দেবেন মহাপরিচালক। অন্য ক্ষেত্রে বদলির অধিক্ষেত্র সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এসব অধিক্ষেত্রের অধিকর্তা উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং বিভাগীয় পরিচালক। ডিপিই (প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে থানা শিক্ষা অফিসারদের সুপারিশক্রমে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বদলি করা হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, চাকরি পাওয়ার পর নারী শিক্ষকদের বিয়ে হলে স্বামীর কর্মস্থলের পার্শ্ববর্তী স্কুলে বদলি হতে পারবেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষকদের স্থায়ী ঠিকানার পার্শ্ববর্তী এলাকার স্কুলে বদলি করা যাবে। প্রতিবন্ধী সন্তানের ক্ষেত্রে সুবিধাজনক বদলির সুযোগ পাওয়া যাবে। স্বামী মারা গেলে বা বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সুবিধামতো স্থানসহ বিশেষ কোনো কারণে বছরের যে কোনো সময় বদলি হওয়া যাবে।

দুর্গম এলাকায় নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা চাকরির ২ বছর পর নিজ এলাকায় বদলি হতে পারবেন। এসব বদলির জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও বিভাগীয় উপ-পরিচালকের সুপারিশ প্রয়োজন হবে। জাতীয়করণ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকরা চাইলে নিজ জেলায় বদলি হতে পারবেন। তবে ৫ বছর পর।

মন্ত্রণালয় কর্মকর্তারা জানান, এখন থেকে যোগ্য ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে শিক্ষকরা ঢাকা মহানগরের যে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্য আসনে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে কেবল বৈবাহিক কারণ বা জীবনসঙ্গীর চাকরি সূত্রে বদলি হওয়া যাবে। বিশেষ কারণে যে কোনো সময় বদলি করা হবে। এ ক্ষেত্রে নিয়োগদাতা কর্তৃপক্ষের সুপারিশ লাগবে। শিক্ষকরা নিয়োগের পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে স্বামী বা স্ত্রী উভয়ের স্থায়ী ঠিকানায় বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে কাবিননামা, প্রত্যয়নপত্র, সংশ্লিষ্ট পৌর মেয়র/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র, স্বামী/স্ত্রীর স্থায়ী ঠিকানার জমির দলিল, খতিয়ান, বাড়ির হোল্ডিং নম্বর (সিটি কর্পোরেশন এলাকার জন্য) ও ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রশিদ আবেদনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

তবে একই পদে একাধিক আবেদনকারী হলে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বদলির জন্য বিবেচনা করা হবে। স্বামীর কর্মস্থল বা স্থায়ী ঠিকানা- যেখানেই হোক নারী শিক্ষকরা বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

নির্দেশিকায় আরও বলা হয়, নদী ভাঙন বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শিক্ষকের বসতভিটা বিলীন হলে, প্রশাসনিক প্রয়োজনে, কোনো বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ও শিক্ষকদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার প্রয়োজনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে আলোচনাসাপেক্ষে একই উপজেলায় বদলি করতে পারবেন। এসব নির্দেশনা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার জন্য প্রযোজ্য হবে না।

প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষকসহ প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা এ নীতিমালার আওতাভুক্ত হবেন। তবে এর আলোকে সংশ্লিষ্ট জেলার উপযোগী নির্দেশিকা প্রণয়ন করতে পারবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD