শিরোনাম :
হৃদরোগে আক্রান্ত ৯ বছরের হাবিবুল্লাহ বাঁচতে চায়, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় প্রবাসীদের অভিযোগ বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজি ও কূটনীতির মেলবন্ধনে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথরেখা আইসিইউতে ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ উদ্বেগজনক, মৃত্যুহার ৯০ শতাংশের বেশি: আইসিডিডিআরবি করাচির দুই হাসপাতালে শতাধিক শিশুর এইচআইভি শনাক্ত, নীরব স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিট কেলেঙ্কারি ঘিরে চাপের মুখে সরে গেলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎই অগ্রাধিকার’

মঙ্গল শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল!

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৮

চলে এলো ১৪২৫ সাল। ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ প্রতিপাদ্যে বাংলার নতুন বছরকে সাদরে বরণ করা হলো মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে।

পয়লা বৈশাখের আজকের দিনে হাজারো মানুষের ঢলে মঙ্গলের এই যাত্রায় ছিল কেবল আনন্দ আর আনন্দ, উল্লাস আর উচ্ছ্বাস। রৌদ্রোজ্জ্বল সকালবেলায় বর্ণিল যাত্রায় ছিল না বেদনার কোনো কালো ছায়া। নেচে–গেয়ে, ডাক-ঢোলের বাদ্য বাজিয়ে বাংলার চিরায়ত সাজে নববর্ষকে বরণ করছে সবাই। সবার প্রত্যাশা, নতুন বছরটি হবে—ভালো, আরও ভালো।

আজ শনিবার সকাল নয়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদ থেকে বের হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। এ ছাড়া শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সদস্যরা। শাহবাগ, রূপসী বাংলা হয়ে আবারও শাহবাগ, টিএসসি হয়ে চারুকলায় গিয়ে সকাল সোয়া ১০টার দিকে শেষ হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা।

মঙ্গল শোভাযাত্রায় মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে এ দেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। মঙ্গল শোভাযাত্রায় এবার আটটি প্রতীক—সূর্য, বক-মাছ, হাতি, পাখি, সাইকেলে মা-শিশু, টেপা পুতুল, মহিষসহ চারটি পাখি ও জেলে। এগুলো বাঁশ, কাঠ ও বিভিন্ন রঙের কাগজ দিয়ে তৈরি।

তিন দশক ধরে বর্ষবরণের অন্যতম আকর্ষণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মঙ্গল শোভাযাত্রা। ইউনেসকোর বিশ্ব–ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে এ শোভাযাত্রা।

শোভাযাত্রার শুরুতে ছিল একটি বড় উজ্জ্বল সূর্য। তারপর একে একে এগিয়ে চলে সাইকেলে মা-শিশু, টেপা পুতুল, মহিষসহ চারটি পাখি ও জেলে। ছিল রাজা, রানিসহ নানা আকৃতির রং ও মুখোশ।

শোভাযাত্রাটি ছিল নিরাপত্তার চাদরে ঘেরা। সামনে, পেছনে, ডানে, বামে ছিলেন পুলিশ, সোয়াট, ডিবি ও র‍্যাবের অসংখ্য সদস্য। কেবল শোভাযাত্রার চারপাশে নয়, আকাশেও ছিল র‍্যাবের হেলিকপ্টারের টহল।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD