শিরোনাম :
জার্মানিতে একদিনে পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা: দাবানল, কৃষি সংকট, জ্বালানির দাম, গোয়েন্দা সংস্কার ও ফ্রাঙ্কফুর্টে ধর্মঘট পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ জাহাজ শিল্প গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের সফরে ক্ষুব্ধ টোকিও, কড়া প্রতিবাদ জাপানের সবুজ উন্নয়নের পথে চীন, প্রকৃতি সুরক্ষায় জোর দিচ্ছেন সি চিন পিং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই দেশে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেউবা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক ছাড়বে সব মার্কিন সেনা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টায় বন্ধ হবে শপিংমল ও দোকানপাট প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের তালিকা করবে সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ লঘুচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, বৃষ্টির পূর্বাভাস অব্যাহত

পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ জাহাজ শিল্প গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬

দেশের জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে পরিবেশসম্মত, নিরাপদ, টেকসই এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন খাতে উন্নীত করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিদ্যমান আইন, বিধি, নীতিমালা ও বাস্তব চ্যালেঞ্জ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে পৃথক দুটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভাগুলোতে সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, এমপি।

সভায় জাহাজ নির্মাণ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, শ্রমিকদের নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং অর্থায়ন সুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়।

জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প নিয়ে উপস্থাপনায় দেশের অর্থনীতিতে এ খাতের অবদান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশীয় ইস্পাত শিল্পে কাঁচামাল সরবরাহ এবং সার্কুলার ইকোনমিতে এর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা, বর্জ্যপানি শোধন, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, মাটি পুনরুদ্ধার ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি (TSDF) স্থাপন, ইনসিনারেটর নির্মাণ, উপকরণ পুনর্ব্যবহার, উপকূলীয় ও ম্যানগ্রোভ প্রতিবেশ রক্ষা, দক্ষ জনবল গড়ে তোলা, প্রশিক্ষণ, টেস্টিং ল্যাব স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও মতামত উঠে আসে।

অন্যদিকে জাহাজ নির্মাণ শিল্পসংক্রান্ত আলোচনায় বাংলাদেশের ভৌগোলিক সুবিধা, তুলনামূলক কম শ্রমব্যয়, কারিগরি সক্ষমতা, অভ্যন্তরীণ বাজার এবং রপ্তানির সম্ভাবনাকে প্রতিযোগিতামূলক শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আধুনিক ড্রাইডক, মডুলার শিপ বিল্ডিং, রপ্তানিমুখী শিপইয়ার্ড, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়।

বিশ্ব নৌপরিবহন খাতের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে IMO-এর নেট-জিরো ফ্রেমওয়ার্ক, বিকল্প ও স্বল্প-কার্বন জ্বালানি, এলএনজি, গ্রিন স্টিল, কার্বন ট্রেডিং এবং স্মার্ট শিপইয়ার্ডের মতো আধুনিক ধারণাগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের শিল্পকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রয়োজনীয়তাও আলোচনায় উঠে আসে।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা, শ্রমিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে জাহাজ শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব, গ্রিন ফাইন্যান্স, রপ্তানি ঋণ এবং কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি।

সূত্র: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD